পুড়ে ছারখার দুটি ঘর
निकर सृजन करना
সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন:
নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের বড় কালিয়ান গ্রামে ঘটে যায় অনৈতিক এক ঘটনা। অভিযোগ অনুযায়ী, ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের ধুরুয়া গ্রামের হেলাল উদ্দীনের ছেলে মাহমুদুল হাসান লিংকন বিয়ের আশ্বাসে এক তরুণীর সঙ্গে গড়ে তোলে অনৈতিক সম্পর্ক।
পরবর্তীতে ওই তরুণ-তরুণীকে হাতেনাতে ধরে ফেলে গ্রামবাসী। কিন্তু রহস্যজনকভাবে স্থানীয় প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপে ও নগদ অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে যুবক লিংকনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ ভিকটিম তরুণী এখন বিয়ের দাবিতে ছেলের বাড়িতে অনশন করছেন। বিষয়টি ঘিরে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
চাঁদপুরের স্থানীয় মঞ্চে গতকাল সন্ধ্যায় অত্যন্ত আবেগঘন ও জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে মঞ্চস্থ হলো একটি জীবনমুখী নাটক। গ্রামীণ জনপদের অবহেলিত সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, মহাজনি ঋণের নিষ্ঠুর ফাঁদ এবং সামাজিক টানাপোড়েনের এক বাস্তবসম্মত চিত্র ফুটে উঠেছে এই নাট্য পরিবেশনায়।
নাটকের একটি বিশেষ দৃশ্যে দেখা যায়, গ্রামীণ এক প্রভাবশালী ও পাওনাদার চরিত্রে অভিনয়শিল্পী (সবুজ পাঞ্জাবি, ধুতি ও টুপি পরিহিত) অত্যন্ত চড়া গলায় এবং আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে তার পাওনা টাকা দাবি করছেন। অন্যদিকে, সমাজের শোষিত ও অসহায় শ্রেণির প্রতিনিধি হিসেবে অপর এক কেন্দ্রীয় চরিত্র (সাদা গেঞ্জি ও কাঁধে গামছা পরিহিত) হাত জোড় করে বিনীতভাবে নিজের চরম আর্থিক অনটন ও অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরছেন। তিনি মহাজনের ঋণের জালে জর্জরিত হয়ে কিছুটা সময় প্রার্থনা করছেন এবং বর্তমান সংকট কেটে গেলে সব পাওনা চুকিয়ে দেওয়ার আকুতি জানাচ্ছেন। এ সময় পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক গ্রামীণ নারী চরিত্রের (হলুদ শাড়ি পরিহিত) নীরব কিন্তু চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন উপস্থিতি দৃশ্যটির নাটকীয়তা এবং দর্শকদের আবেগ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
মঞ্চের আলো-ছায়ার চমৎকার ব্যবহার, প্রতীকী আবহ এবং অভিনেতাদের জীবন্ত সংলাপ প্রক্ষেপণ উপস্থিত দর্শকদের গভীরভাবে আলোড়িত করে। বিশেষ করে লাইভ বাদ্যযন্ত্রের সুর ও অভিনয়শিল্পীদের নিখুঁত অঙ্গভঙ্গি গ্রামীণ সমাজের শোষণের নির্মম বাস্তবতাকে মঞ্চে সফলভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। নাটকটি শেষে উপস্থিত দর্শক ও নাট্যবোদ্ধারা অভিনেতাদের চমৎকার পারফরম্যান্স এবং নির্দেশনার ভূয়সী প্রশংসা করেন।





