Netrakona, Bijoy Chandra Das
Shorts skab
নেত্রকোনায় বড়বাজার সড়কে আখড়ার মোড়ে অবস্থিত কাঁচাবাজারে ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ায় অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। হাতেগোনা কয়েকটি দোকান খোলা রাখা হলেও ক্রেতা নেই। অথচ এসব ব্যবসায়ীর আয়ের উৎস একমাত্র দোকানদারি।
ফলে ব্যবসায়ী, ক্রেতা বিক্রেতার সকলের দাবি দ্রুত ড্রেন নির্মাণ কাজ যেন শেষ করা হয়।
উপকূলীয় জেলায় কোস্টগার্ডের নির্বাচনি নিরাপত্তা টহল জোরদার
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে মোংলা ও সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে কোস্টগার্ড। এর অংশ হিসেবে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে মোংলা ও সুন্দরবনের নদী তীরবর্তী এলাকায় তারা টহল দেয়।
এসব এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় দায়িত্ব পালনসহ ভোটকেন্দ্রে বিশেষ নজরদারি, নিয়মিত টহলের মাধ্যমে একটি উৎসবমুখর ভোটের পরিবেশ সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে জানায় সংস্থাটির সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।
তিনি জানান, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের সমুদ্র, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষায় নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে উপকূলবাসীর আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে গত ১৮ জানুয়ারি হতে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২৮ দিনব্যাপী দায়িত্বাধীন উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ভোটকেন্দ্রসমূহে দায়িত্ব পালন করবে কোস্টগার্ড।
এরই ধারাবাহিকতায় পশ্চিম জোনের আওতাধীন খুলনা-১ ও খুলনা-৬ আসনের দাকোপ ও কয়রা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৫৬টি ভোটকেন্দ্রে কোস্ট গার্ড সদস্যগণ দায়িত্ব পালন করছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন নজরদারি, নিয়মিত টহল ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখা হবে।
নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং যে কোনো ধরনের সহিংসতা দমনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের জানমালসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
প্রগতিস্মরণি রোডের জে ব্লকে এমআরটি–১ ইউটিলিটি হস্তান্তর প্রকল্পের কাজে রাস্তা খনন করা হলেও বহু স্থানে বেষ্টনী ভেঙে পড়েছে বা একেবারেই নেই। চোখে দৃষ্টি থাকা মানুষ ঝুঁকি বুঝে এড়িয়ে চলতে পারলেও দৃষ্টিহীন মানুষের জন্য এসব খোলা গর্ত নীরব মৃত্যু-ফাঁদ। এমনই এক অবহেলার শিকার হয়ে খননের গর্তে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন এক অন্ধ ব্যক্তি। প্রশ্ন উঠেছে—এই দুর্ঘটনার দায়ভার নেবে কে? ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প কর্তৃপক্ষ নাকি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন?
'বয়ফ্রেন্ড আমেরিকা থাকে, ঈদের বাজেট ৪ ৫ লাখ' #eidmarket #eidshopping




