নদীতে জেলের জালে ধরা পড়ল বিরল প্রজাতির কাছিম
Kratke hlače Stvoriti
নদীতে জেলের জালে ধরা পড়ল বিরল প্রজাতির কাছিম
রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি ঃ সম্প্রতি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় খোলপেটুয়া নদীতে জেলের জালে ধরা পড়ল বিরল প্রজাতির কাছিম। পরবর্তীতে ভিটিআরটি সদস্যবৃন্দ বন্য প্রাণি সংরক্ষণে বিরল প্রজাতির কাছিমটি সুন্দরবন সংলগ্ন খোলপেটুয়া নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়।
Mr Beast arrives at Speed's arrival to JoyForum #ispeedshow #mrbeast #lamaakbor #mrakbor #aakbor
উপকূলীয় জেলায় কোস্টগার্ডের নির্বাচনি নিরাপত্তা টহল জোরদার
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে মোংলা ও সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে কোস্টগার্ড। এর অংশ হিসেবে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে মোংলা ও সুন্দরবনের নদী তীরবর্তী এলাকায় তারা টহল দেয়।
এসব এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় দায়িত্ব পালনসহ ভোটকেন্দ্রে বিশেষ নজরদারি, নিয়মিত টহলের মাধ্যমে একটি উৎসবমুখর ভোটের পরিবেশ সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে জানায় সংস্থাটির সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।
তিনি জানান, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের সমুদ্র, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষায় নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে উপকূলবাসীর আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে গত ১৮ জানুয়ারি হতে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২৮ দিনব্যাপী দায়িত্বাধীন উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ভোটকেন্দ্রসমূহে দায়িত্ব পালন করবে কোস্টগার্ড।
এরই ধারাবাহিকতায় পশ্চিম জোনের আওতাধীন খুলনা-১ ও খুলনা-৬ আসনের দাকোপ ও কয়রা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৫৬টি ভোটকেন্দ্রে কোস্ট গার্ড সদস্যগণ দায়িত্ব পালন করছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন নজরদারি, নিয়মিত টহল ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখা হবে।
নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং যে কোনো ধরনের সহিংসতা দমনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের জানমালসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
12.00
Normal
0
false
false
false
EN-GB
X-NONE
X-NONE
MicrosoftInternetExplorer4
/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:"Table Normal";
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-priority:99;
mso-style-qformat:yes;
mso-style-parent:"";
mso-padding-alt:0cm 5.4pt 0cm 5.4pt;
mso-para-margin-top:0cm;
mso-para-margin-right:0cm;
mso-para-margin-bottom:10.0pt;
mso-para-margin-left:0cm;
line-height:115%;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:11.0pt;
font-family:"Calibri","sans-serif";
mso-ascii-font-family:Calibri;
mso-ascii-theme-font:minor-latin;
mso-fareast-font-family:"Times New Roman";
mso-fareast-theme-font:minor-fareast;
mso-hansi-font-family:Calibri;
mso-hansi-theme-font:minor-latin;
mso-bidi-font-family:"Times New Roman";
mso-bidi-theme-font:minor-bidi;}
বেতন-ভাতা বৃদ্ধি,
চাকরির
নিরাপত্তা
ও
অন্যান্য
ন্যায্য
দাবি
বাস্তবায়নের
দাবিতে
কর্মবিরতির
হুঁশিয়ারি
দিয়েছেন
বকশীগঞ্জ
ডাক
বিভাগের
কর্মচারীরা।
বৃহস্পতিবার
(২
জুলাই)
সকাল
১১টায়
বকশীগঞ্জ
পোস্ট
অফিস
প্রাঙ্গণে
বাংলাদেশ
ডাক
বিভাগ
কর্মচারী
ইউনিয়ন
(বি/২০৩১)
বকশীগঞ্জ
শাখার
উদ্যোগে
আয়োজিত
প্রতিবাদ
সমাবেশে
এ
ঘোষণা
দেওয়া
হয়।
সমাবেশে
বক্তব্য
দেন
পানাতিয়াপাড়া
শাখা
পোস্টমাস্টার
মো.
মাহাবুর
রহমান
থোকন।
তিনি
বলেন,
“আমরা
সরকারি
চাকরিজীবী
হলেও
মাত্র
চার
হাজার
টাকা
বেতনে
পরিবার
চালানো
অসম্ভব
হয়ে
পড়েছে।
দীর্ঘদিন
ধরে
ডাক
বিভাগের
মহাপরিচালকের
(ডিজি)
কাছে
বেতন-ভাতা বৃদ্ধির
দাবি
জানিয়ে
আসছি।
কিন্তু
আশ্বাস
ছাড়া
কোনো
কার্যকর
পদক্ষেপ
নেওয়া
হয়নি।
তাই
বাধ্য
হয়েই
আন্দোলনের
পথে
নেমেছি।
দাবি
আদায়
না
হলে
আগামী
৬
জুলাই
থেকে
পূর্ণ
কর্মবিরতি
পালন
করব।
প্রয়োজনে
ডাকঘরে
তালা
ঝুলিয়ে
দেওয়া
হবে।”
বক্তারা
বলেন,
স্বল্প
বেতন-ভাতা ও নানা বৈষম্যের
মধ্যেও
ডাক
বিভাগের
কর্মচারীরা
নিষ্ঠার
সঙ্গে
দায়িত্ব
পালন
করে
আসছেন।
কিন্তু
দ্রব্যমূল্যের
ঊর্ধ্বগতির
কারণে
বর্তমান
বেতন-ভাতায়
পরিবার
নিয়ে
জীবনযাপন
অত্যন্ত
দুর্বিষহ
হয়ে
উঠেছে।
তাই
অবিলম্বে
বেতন-ভাতা বৃদ্ধি,
ন্যায্য
সুযোগ-সুবিধা
নিশ্চিতকরণ
এবং
চাকরিসংক্রান্ত
বিভিন্ন
সমস্যার
দ্রুত
সমাধানের
দাবি
জানান
তারা।
সমাবেশে
আরও
জানানো
হয়,
সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষ
দ্রুত
কার্যকর
পদক্ষেপ
না
নিলে
কেন্দ্রীয়
কর্মসূচির
অংশ
হিসেবে
কঠোর
আন্দোলন
ও
পূর্ণ
কর্মবিরতি
পালন
করা
হবে।
এদিকে
শাখা
ডাকঘর
কর্মচারীদের
*দুই
দফা
দাবি*
আদায়ে
ঘোষিত
পূর্ণ
কর্মবিরতি
(হরতাল)
কর্মসূচির
প্রতি
সমর্থন
জানিয়ে
*২১
জন
কর্মচারী
স্বেচ্ছায়
স্বাক্ষর*
করেন।





