ভিডিও আপলোড করুন পয়েন্ট জিতুন!
Quần short Tạo ra
লাঙ্গলবন্দর, নরসিংদী:
বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র মহাসংঘ, নরসিংদী শাখার উদ্যোগে সম্প্রতি লাঙ্গলবন্দরে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ গঠনমূলক কার্যক্রম। স্থানীয় পর্যায়ের হিন্দু শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের অধিকার, সামাজিক নিরাপত্তা, ধর্মীয় সহনশীলতা এবং ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তারা বলেন, বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র মহাসংঘ শুধুমাত্র একটি ছাত্র সংগঠন নয়, বরং এটি একটি সামাজিক আন্দোলনের নাম, যার মূল লক্ষ্য হলো সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা।
এই আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন সংগঠনের নেতারা।
অনুষ্ঠানের শেষাংশে উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয় এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে আগামীর পরিকল্পনা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারসহ ১৩ জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী
চট্টগ্রাম, ০৮ নভেম্বর ২০২৫: দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় প্রতিনিয়ত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এরই ধারাবহিকতায় শনিবার (০৮-১১-২০২৫) বঙ্গোপসাগরে টহল কার্যক্রমের সময় নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা শহীদ মহিবুল্লাহ’ সাগরে ভাসমান অবস্থায় একটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১৩ জন জেলেকে উদ্ধার করে।
কুতুবদিয়া লাইট হাউজ হতে প্রায় ২০ মাইল দূরে ইঞ্জিন বিকল অবস্থায় গভীর সমুদ্রে একটি মাছধরা ট্রলার ভাসতে থাকে। ট্রলারে অবস্থানরত জেলেরা নৌবাহিনীর জাহাজ দেখতে পেয়ে জাহাজের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আলো ও হাত দিয়ে সংকেত প্রদর্শন করে। সাগরে টহলরত নৌবাহিনী জাহাজ ‘বানৌজা শহীদ মহিবুল্লাহ’ সংকেত লক্ষ করে তাৎক্ষণিক বিপদগস্ত জেলে ও ট্রলারের নিকট ছুটে যায়। অতি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নৌ সদস্যগণ ট্রলারসহ অসহায় জেলেদের উদ্ধার করে। উদ্ধারের পরপরই জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ, খাবার ও বিশুদ্ধ পানি প্রদান করা হয়। নৌবাহিনী জাহাজ উদ্ধারকৃত জেলেদের ও মাছ ধরার ট্রলারটিকে নিরাপদে তীরে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে তাদের পরিবার ও মালিক পক্ষের কাছে সকলকে হস্তান্তর করা হয়। জেলেরা জানায়, গত ০৬ নভেম্বর ২০২৫ হতে ট্রলারটি ইঞ্জিন বিকল হয়ে তিনদিন যাবৎ মাঝ সমুদ্রে ভাসতে থাকে
🕋 ডেসক্রিপশন:
বগুড়ার মহাস্থানগড়ের প্রসিদ্ধ সুফি সাধক শাহ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার ছিলেন ইসলাম প্রচারের অগ্রদূতদের একজন। তিনি মধ্যযুগের প্রথম দিকে বলখ (বর্তমান আফগানিস্তান) থেকে বাংলায় আগমন করে মহাস্থানগড়ে ইসলাম প্রচার শুরু করেন। তাঁর দীক্ষা, ত্যাগ ও মানবপ্রেমের কারণে অসংখ্য মানুষ ইসলামের ছায়াতলে আসেন। বর্তমানে তাঁর পবিত্র মাজার বগুড়ার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত, যা প্রতি বছর হাজারো দর্শনার্থী ও ভক্তের আগমনস্থল। যদিও তাঁর জন্ম ও মৃত্যুর সঠিক সাল ইতিহাসে লিপিবদ্ধ নেই, তবুও তাঁর স্মৃতি আজও মানুষের হৃদয়ে অম্লান।





