কুয়াকাটায় ফটোগ্রাফারদের স্টুডিও বন্ধের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও কর্মবিরতি। প্রশাসনের হস্তক

Shorts Lumikha

কুয়াকাটায় ফটোগ্রাফারদের স্টুডিও বন্ধের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও কর্মবিরতি। প্রশাসনের হস্তক

⁣কুয়াকাটায় ফটোগ্রাফারদের স্টুডিও বন্ধের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও কর্মবিরতি। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সমাধান।

Liton Das

0

0

19

পাতা খেলা: দেখুন কীভাবে মন্ত্র দিয়ে মানুষ টানছে! 😱 #viralvideo

গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলার ধাপেরহাট গোবিন্দপুর পাতা খেলা: দেখুন কীভাবে মন্ত্র দিয়ে মানুষ টানছে! 😱 #viralvideo

S.H Shahin Khan

0

0

10

শিশু পার্কে একদিন

#children #park #reels

Akm Kaysarul Alam

0

1

24

আগুনে পুড়ে দোকান ছারখার

আগুনে পুড়ে দোকান ছারখার

ANASUL HOQUE

0

1

40

কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ৯টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত

⁣কুতুবদিয়ার উত্তর ধুরুং এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ৯টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৫) উপজেলার উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মিয়ার কাটায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে জয়নাল, মো. জসিম, মো. জামাল, পারভিন, করিম, সৈয়দ নুর, আবুল মূসা, গোলাম রহমান ও মো. জালালসহ মোট ৯ জনের মালিকানাধীন ছোট-বড় বিভিন্ন আয়তনের ৯টি আধাপাকা ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে আনুমানিক ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনের কারণ তদন্তসাপেক্ষ। অগ্নিনির্বাপণ কাজে নেতৃত্ব দেন স্টেশন অফিসার সোহেল আহাম্মেদ।

Nazrul Islam

0

0

7

SM MIZANUR RAHMAN MIZAN

জামালপুরে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদ স্থায়ীভাবে বাতিলের সিদ্ধান্তে গভীর হতাশা ও বঞ্চনার কথা জানিয়েছেন তৃতীয় লিঙ্গের একজন সাবেক জনপ্রতিনিধি। মানুষের ভালোবাসা ও ভোটে নির্বাচিত হয়েও সেবার প্রাতিষ্ঠানিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, সবকিছুরই শেষ আছে। হয়তো আজ আমার সেবার প্রাতিষ্ঠানিক পথটি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেল। উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদ বাতিলের মাধ্যমে একটি জনসেবার অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনে যারা রয়েছেন, তাদের প্রতি আমার কোনো ক্ষোভ নেই রইলো দোয়া ও ভালোবাসা।
নিজের পরিচয় তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি একজন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ এবং এই পরিচয় নিয়েই সাধারণ মানুষের দুয়ারে গিয়েছেন। মানুষ আমাকে ভালোবেসে তাদের মূল্যবান ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি মানুষের জন্য কাজ করতে এবং আমৃত্যু সেবায় নিয়োজিত থাকতে চেয়েছি, যোগ করেন তিনি।
রাষ্ট্রের প্রতি প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, জনগণ যখন আমাকে আপন করে নিয়েছে, তখন রাষ্ট্র কেন আমাদের এই সেবার সুযোগ কেড়ে নিল?
সমাজে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের প্রতি অবহেলা ও বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, এখনো অনেকেই অবজ্ঞার সুরে প্রশ্ন করেন হিজড়া জনগোষ্ঠী কি মানুষ? এর জবাবে তিনি বলেন, আমরাও রক্ত-মাংসের মানুষ। আমাদেরও স্বপ্ন, মেধা ও মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা আছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সমাজে এই জনগোষ্ঠীর অনেকেই আজও রাস্তাঘাটে জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন, তাদের কষ্টের কথা শোনার মতো কেউ নেই। তাদের আর্তনাদ রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায় পর্যন্ত পৌঁছায় না। এই বিচারহীনতা ও অবহেলার শেষ কোথায়? প্রশ্ন তোলেন তিনি।
একজন জনপ্রতিনিধির পাশাপাশি একজন বঞ্চিত মানুষ হিসেবে কথা বলছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাদের ঘর নেই, যাদের সমাজ স্বীকৃতি দিতে কুণ্ঠাবোধ করে, তাদের হাহাকার কি কোনোদিন রাষ্ট্রের কানে পৌঁছাবে?
শেষে তিনি বলেন, তার অর্জিত পদটি হারালেও মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা ও সাহস অটুট থাকবে। স্রষ্টা হয়তো অন্য কোনো পথে মানুষের সেবা করার সুযোগ দেবেন। আমি মানুষের মাঝেই থাকবো এবং তাদের অধিকারের কথা বলে যাবো।

S.M Mizanur  Rahman Mizan

0

0

13