inbound2196734525116576628
Pantalones cortos crear
কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ বাজারের ব্রাহ্মণ পাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বাড়ি পুড়ে গেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গ্যাসের সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কুতুবদিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সোহেল আহমেদ ।
তিনি জানান, আগুনের খবর পেয়ে কুতুবদিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যরাও আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা করেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলো হলো,বাদল শীলের ছেলে বলরাম শীল ও তপন শীল, সারদা শীলের ছেলে সেন্টু শীল এবং সেন্টু শীলের ছেলে জনি শীল, ললীত শীলের ছেলে রবি শীল এবং সৌরভ শীল।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনুমান ৩০ লক্ষ টাকা হবে বলে পরিবারগুলো জানিয়েছে।
ঘটনার পর কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৬টি পরিবার এবং ২টি দোকানঘরের মালিকদের মাঝে তাৎক্ষণিক ত্রাণ বিতরণ করেন বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ ন ম শহীদ উদ্দিন ছোটন।
চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে সাংবাদিক হাসান কুতুবী, ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, ইউপি সদস্য তৌহিদুল ইসলাম ও মাইনুদ্দিন হাশেম মিন্টুর উপস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে চাল–ডাল, শুকনো খাবার, কাঁচামালসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী প্রদান করা হয়। পাশাপাশি প্রত্যেক পরিবারকে ২,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
যশোর সদর উপজেলার রূপদিয়া শেখপাড়া গ্রামে সুরাইয়া আক্তার স্মৃতি (১৮) নামের এক তরুণী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি মিলন শেখ (মিলন ড্রাইভার) এর ছোট মেয়ে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২ আগস্ট) প্রতিদিনের ন্যায় রাতে খাবার শেষে "স্মৃতি" তার মায়ের সঙ্গে নিজের ঘরে ঘুমাতে যান। ঘন্টা খানেক পরে মাকে নিজ ঘরে গিয়ে ঘুমানোর অনুরোধ করেন "স্মৃতি"। এরপর রাত আনুমানিক ১২টার দিকে তার মা ঘরে উঁকি দিয়ে দেখতে পান সে তখনও মোবাইল দেখছে। এরপর তিনি তার কক্ষে যেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু পরদিন ভোরে স্মৃতির মোবাইল ফোনে দীর্ঘক্ষণ ধরে এলার্ম বাজলে মায়ের ঘুম ভেঙ্গে স্মৃতিকে ডাকাডাকি শুরু করেন। দীর্ঘসময় ধরে সাড়া না মেলায় সন্দেহ হয়। প্রতিবেশীদের সহায়তায় ঘরের দরজা ভেঙে তারা দেখেন, স্মৃতি আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছেন। জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে স্মৃতির বিয়ে হয় যশোর শহরের শংকরপুর চোপদারপাড়ার বাসিন্দা আহাদ আলীর সঙ্গে। কিন্তু সম্প্রতি আহাদ দ্বিতীয় বিয়ে করলে স্মৃতি বাবার বাড়িতে চলে আসেন এবং মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলেন বলে পরিবার জানায়। রবিবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়।




