গ্রামবাংলার চিরচেনা এক দৃশ্য।
Shorts Skapa
গ্রামবাংলার চিরচেনা এক দৃশ্য। 🌾🐟
মাঝে মাঝে এখনো এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। মাঝখানে বালতি রেখে দুজন দুই পাশে দড়ি ধরে টান দিয়ে পানি সেঁচে মাছ ধরছেন। দৃশ্যটি দেখেই ক্যামেরাবন্দী করলাম।
📍 লোকেশন: বিরল, দিনাজপুর রোড।
ঐতিহ্যবাহী এই মাছ ধরার পদ্ধতি আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতির এক জীবন্ত অংশ, যা আজও কিছু কিছু এলাকায় টিকে আছে। ❤️
মাত্র ১৮ বছর বয়স—জীবনের শুরু, স্বপ্ন গড়ার সময়। অথচ এ বয়সেই এক তরুণ এমন এক নির্মম সিদ্ধান্ত নিল, যা ভাবলেও হৃদয় কেঁপে ওঠে। আত্ম*হত্যা—এটা কোনো সমাধান নয়, বরং এক চরম পরিণতি। কিন্তু কী এমন কষ্ট ছিল তার জীবনে, যা তাকে এত বড় এক নিকৃষ্ট পথ বেছে নিতে বাধ্য করলো?
ছেলেটির বাবা নেই। পরিবারে ছিল শুধু মা ও এক বোন। সংসারের বড় সন্তান হিসেবে হয়তো দায়িত্বের ভারটাই বেশি অনুভব করতো। কে জানে—কোনো চাপ, অপমান, হতাশা বা অভাব তাকে ভিতর থেকে এমনভাবে ভেঙে দিয়েছে, যার বোঝা সে আর বহন করতে পারেনি।
সে নিজের জীবনটা শেষ করে দিলো ঠিকই—কিন্তু পেছনে রেখে গেলো এক অসহায় মা, যার বুকটা আজ ফেটে চৌচির, আর এক ছোট বোন, যার ভরসার একমাত্র মানুষটাকেও কেড়ে নিলো এই নিষ্ঠুর বাস্তবতা। সে নিজের জীবন দিয়ে নিজের প্রিয়জনদেরও যেন জীবন্ত লাশ বানিয়ে গেলো।
জানি না, কী সেই অজানা কষ্ট, কিন্তু এটুকু জানি—কাউকে হারানোর ব্যথা সারা জীবনের জন্য রয়ে যায়। জীবন যতই কঠিন হোক, বেঁচে থাকার লড়াইটাই সবচেয়ে বড় সাহস। কেউ যদি আগে পাশে দাঁাতাতো, একটু বোঝাতো—হয়তো আজ গল্পটা অন্যরকম হতো।
জামালপুরে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদ স্থায়ীভাবে বাতিলের সিদ্ধান্তে গভীর হতাশা ও বঞ্চনার কথা জানিয়েছেন তৃতীয় লিঙ্গের একজন সাবেক জনপ্রতিনিধি। মানুষের ভালোবাসা ও ভোটে নির্বাচিত হয়েও সেবার প্রাতিষ্ঠানিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, সবকিছুরই শেষ আছে। হয়তো আজ আমার সেবার প্রাতিষ্ঠানিক পথটি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেল। উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদ বাতিলের মাধ্যমে একটি জনসেবার অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনে যারা রয়েছেন, তাদের প্রতি আমার কোনো ক্ষোভ নেই রইলো দোয়া ও ভালোবাসা।
নিজের পরিচয় তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি একজন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ এবং এই পরিচয় নিয়েই সাধারণ মানুষের দুয়ারে গিয়েছেন। মানুষ আমাকে ভালোবেসে তাদের মূল্যবান ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি মানুষের জন্য কাজ করতে এবং আমৃত্যু সেবায় নিয়োজিত থাকতে চেয়েছি, যোগ করেন তিনি।
রাষ্ট্রের প্রতি প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, জনগণ যখন আমাকে আপন করে নিয়েছে, তখন রাষ্ট্র কেন আমাদের এই সেবার সুযোগ কেড়ে নিল?
সমাজে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের প্রতি অবহেলা ও বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, এখনো অনেকেই অবজ্ঞার সুরে প্রশ্ন করেন হিজড়া জনগোষ্ঠী কি মানুষ? এর জবাবে তিনি বলেন, আমরাও রক্ত-মাংসের মানুষ। আমাদেরও স্বপ্ন, মেধা ও মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা আছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সমাজে এই জনগোষ্ঠীর অনেকেই আজও রাস্তাঘাটে জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন, তাদের কষ্টের কথা শোনার মতো কেউ নেই। তাদের আর্তনাদ রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায় পর্যন্ত পৌঁছায় না। এই বিচারহীনতা ও অবহেলার শেষ কোথায়? প্রশ্ন তোলেন তিনি।
একজন জনপ্রতিনিধির পাশাপাশি একজন বঞ্চিত মানুষ হিসেবে কথা বলছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাদের ঘর নেই, যাদের সমাজ স্বীকৃতি দিতে কুণ্ঠাবোধ করে, তাদের হাহাকার কি কোনোদিন রাষ্ট্রের কানে পৌঁছাবে?
শেষে তিনি বলেন, তার অর্জিত পদটি হারালেও মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা ও সাহস অটুট থাকবে। স্রষ্টা হয়তো অন্য কোনো পথে মানুষের সেবা করার সুযোগ দেবেন। আমি মানুষের মাঝেই থাকবো এবং তাদের অধিকারের কথা বলে যাবো।




