Shorts Lumikha



⁣ঢাবি বা মেডিকেলে চান্স পেতে শুধু GPA-5 যথেষ্ট নয়! আসল সিক্রেট ফাঁস

Mamun Sorder

0

0

4



⁣চাঁদপুরের কচুয়ায় কোমরকাশা জামালিয়া কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ জামাত ইসলামী ও দিশারী মেডিকেল (নরমাল ডেলিভারি) সেন্টারের উদ্দোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদ্রাসা ভবনে ৯ টা থেকে সারাদিন ব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে ৩ শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা সেবা ও ফ্রি ঔষধ প্রদান করা হয়েছে। কচুয়া ৭নং ইউপি জামায়াতে ইসলামীর উদ্দোগে এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের সভাপতিত্ব করেন ৭ নং ইউনিয়ন জামাতের আমির মাওলানা আব্দুস সামাদ আজাদ, নব দিগন্ত সম্পাদক কচুয়া দিশারী স্কুল মাদ্রাসা ও দিশারী মেডিকেল পরিচালক অধ্যক্ষ শাহাদাত হোসেন মুন্সী। স্থানীয় জামায়াত নেতা আবু সুফিয়ানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বিশিষ্ট সমাজসেবক জনাব কাউছার হোসেন সুমন, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনীয়ার সুফিয়ান, মাওলানা ওয়াহিদুর রহমান। কচুয়া জামালিয়া দাখিল মাদ্রাসা মুতামিম মাওলানা ছালেহ আহমেদ, ছালাম মুন্সী, মনির মুন্সী, আব্দুল হাকিম, ইঞ্জিনিয়ার রায়হান হোসেন, ও ছাত্র নেতা রামিম হোসেন, ডাঃ নাছরিন সুলতানা এমবিবিএস, পিজিটি গাইনী, ও চক্ষু ডাঃ সাগর চন্দ্র রায়। দন্ত ডাক্তার মেহেদী হাসান সোহাগ, মেডিসিন ডাক্তার সাইদুর রহমান। মেডিকেল ক্যাম্পে সার্বিক সহযোগিতা করেন, আসিফ মাহমুদ তন্ময়, সাথী আক্তার, প্রমুখ।

Shahadat Hossain Munsy

0

0

6



⁣চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে হেরোইন সহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

মোহা :সানাউল্লাহ (সুমন)
চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর(ডিএনসির) অভিযানে হেরোইনসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

২৮ শে এপ্রিল সোমবার সকাল ৮ঘটিকার সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ক" সার্কেলের পরিদর্শক ইলিয়াস হোসাইন তালুকদারের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানাধীন পৌর মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৩০ " একশত ত্রিশ গ্রাম হেরোইন- তেষট্টি হাজার চারশত দশ টাকা নগদ অর্থ ও একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল সেট এবং একটি হেরোইন পরিমাপক ডিজিটালযন্ত্র যন্ত্র সহ শ্যামল নামের এক শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ৬নং রানিহাটি ইউনিয়নের চুনাখালী গ্রামের শ্রী সুধীর চন্দ্র রবিদাসের ছেলে, শ্রী শ্যামল রবিদাস। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়েরের মাধ্যমে আসামিকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

MD SANAULLAH SUMAN

0

1

24



⁣⁣দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

Abdus Sattar

0

0

7



⁣রাজনৈতিক বন্দোবস্তের নাম হলো খেলাফত ব্যাবস্থ।আজ বাংলাদেশ স্বাধীনতার প্রায় ৫৪ বছর পর এসে যে পুনর্গঠিত হচ্ছে, এই পুনর্গঠনের সময় আমরা একটা স্লোগান তুলতে চাই"ধর্ম-বর্ন ভিন্নমত,সবার জন্য খেলাফত"আল্লাহ্ প্রদত্ত সেই খেলাফত ব্যাবস্থা সকল মানুষের জন্য।সকল ধর্মাবলম্বীদের রাজনৈতিক, মানবিক, অর্থনৈতিক,পারিবারিক,সামাজিক জানমালের নিশ্চয়তার জন্য একমাত্র ব্যাবস্থা হলো খেলাফত ব্যাবস্থা।

বান্দরবানের প্রাণকেন্দ্রের হাজার মানুষের এই জনসমাবেশ প্রমান করে আগামীর বাংলাদেশ হবে ইসলামের বাংলাদেশ। আমরা একটি সুন্দর বৈষম্যহীন জুলুম মক্ত,ইনসাফ পূর্ন একটি সম্মিলিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে কেন্দ্র করে ইনশাআল্লাহ সকল ইসলাম পন্থীদের ইস্পাত কঠিন ঐক্য আমরা জাতীকে উপহার দিবো।

বৃহস্পতিবার(৮ই মে) বিকালে বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সামনে খেলাফতে মজলিস, বান্দরবান জেলা শাখারা,সভাপতি,হাফেজ মাওলানা আব্দুস ছোবহান এর সভাপতিত্বে,

খেলাফতে মজলিস বান্দরবান এর সেক্রেটারি, হাফেজ মাওলানা আবুল কাশেম এর সঞ্চালনায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও শাপলা চত্বরে গনহত্যার বিচার এবং খেলাফত প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গনজাগরণ সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস,বান্দরবান পার্বত্য জেলার আয়োজনে গণসমাবেশ ও ইসলামী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস এর আমীর আল্লামা মামুনুল হক।

এসময় আল্লামা মামুনুল হক আরো বলেন আমাদের স্বাধীনতাকে ছিনতাই করা হয়েছিলো, ১৯৫২ সাল হতে ১৯৭০ দীর্ঘসময় স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট তৈরী হয়েছিলো,বাংলার মানুষ মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য দেষের মানুষের বিরুদ্ধে পরিচালিত সকল বৈষম্যমূলক বিবর্তন মূলক ষৈরাচারী পাক বাহীনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলো।সেই দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে, মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। স্বাধীনতার মুক্তির সংগ্রাম ছিলো জুলুমের বিরুদ্ধে লড়াই,জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমের লড়াই, বৈষম্যের বিরুদ্ধে সাম্যের লড়াই।এসময় তিনি বলেন স্বাধীনতার পর শেখ মুজিব পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করলেন,সেখান থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি গেলেন লন্ডনে লন্ডন থেকে তার বিমান স্বাধীন বাংলার মাটিতে না এসে নয়া দিল্লিতে অবতরণ করলেন,তিনি বাংলাদেশের মানুষের কাছে আশার আগে দিল্লির প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রিরা গান্ধীর কাছে গেলেন, তার সাথে আপোষ নামায় স্বাক্ষর করলেন,বাংলাদেশে আসার সময় ইন্দ্রিরা গান্ধী শেখ মুজিব কে প্রেসক্রিপশন ধরিয়ে দিলেন, আর সেই প্রেসক্রিপশনের উপর ভিত্তি করে ১৯৭২ সালে একটি সংবিধান তৈরী হলো, ভারতের সংবিধানের ৪ মূলনীতিকে বাংলাদেশের গণমানুষের উপর চাপিয়ে দেয়া হলো।৭২ এর ভারতীয় চেতনাকে ৫০ বছর পর্যন্ত মুক্তি যুদ্ধের চেতনা বলে চাপিয়ে দেওয়ার অপপ্রয়াস চালানো হয়েছে। যখনি বাংলার মানুষ এসকল বিষয় নিয়ে আন্দোলন করেছে তখনি তাদের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী তকমা দিয়ে দমন করবার পায়তারা করেছে।

এসময় তিনি আরো বলেন যে ভাবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর ৭২ এর চেতনা দার করিয়ে,ভারত থেকে চেতনা আমদানি করে ৭১ এর জুলুমের বিরুদ্ধে মজলুমের লড়াই কে ছিনতাই করা হয়েছিলো ২০২৪ সালের জুলাই আগস্ট বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশে আরেকটি চক্র জুলাই আগস্টের বিপ্লবের অর্জন কে ছিনতাইয়ের পায়তারা চালায়।তিনি বলেন বাংলাদেশর মানুষ কে মনে রাখতে হবে , চুন খেয়ে যারা মুখ পুড়িয়েছে,নেড়ে বেল তলায় দুইবার যায় না।তিনি বলেন আমাদের ১৯৭১ এর অর্জন কে ছিনতাই করার পর পঞ্চাশ বছর পর্যন্ত সংগ্রাম করতে হয়েছে,আবার ২০২৪ সালের পর যদি আমাদের ২৪ এর অর্জন কে কেউ যদি ছিনতাই করতে চায় গোটা বাংলাদেশ জুড়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

জুলাই আগষ্টের যেই গনঅভ্যুত্থান হয়েছে সেই গনঅভ্যুত্থানের অন্যতম মৌলিক বৈশিষ্ট ছিলো বাংলাদেশের সকল শ্রেণী ও পেষার মানুষ আওয়ামীলীগের বিভাজনের ষড়যন্ত্র,শেখ হাসিনার বিভাজনের ষড়যন্ত্রের রাজনীতি কে ব্যার্থ করে দিয়ে বাংলার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলো।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী, বান্দরবান জেলা আমির, এস এম আবদুচ সামাদ আজাদ, নায়েবে আমির,এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ,সেক্রেটারি,আবদুল আওয়াল,বান্দরবান কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব,মাওলানা আলাউদ্দিন ঈমামী সহ খেলাফতে মজলিস বান্দরবান জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এর আগে দুপুর ২ টায় মোটর শোভাযাত্রা সহকারে বান্দরবান সার্কিট হাউসে উপস্থিত হোন আল্লামা মামুনুল হক।জেলা সদরের বিভিন্ন এলাকা হতে হাজারো নেতাকর্মী মিছিল সহকারে সমাবেশ স্থলে যোগ দেন।বিকাল চার টায় সমবেশ স্থল পরিনত হয় হাজারো মানুষের জনসমাগমে।

Md Shahidul Islam

0

2

18



⁣শ্যামনগরে শতবর্ষী গিরিধরের চড়ক পূজা

শ্যামনগর(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনের কোলঘেঁসা মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের জেলেখালি গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় শতবর্ষ কাল পূর্বে চড়ক পূজা কেন্দ্র করে ছোট্ট একটি পরিচয়ের একটি মেলা হতো, শেষ পর্যন্ত গিরিধারী চড়ক মেলা নামে পরিচিতি লাভ করেছে। বিভিন্ন সময়ের পালা বদলে বাংলা নববর্ষ ও দক্ষিণবাংলায় গিরিধারী চড়ক মেলায় এলাকার মানুষের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা বয়ে চলেছে দীর্ঘকাল। চৈত্র সংক্রান্তের শেষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গিরিধারী চড়ক মেলা। দক্ষিণবাংলায় শ্যামনগরে গিরিধারী সড়ক মেলা ইতিহাস খ্যাত। এছাড়া শ্যামনগরে উপজেলায় আটটি স্থানে চড়ক মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০২৫ সালে অর্থাৎ ১৪৩২ বঙ্গাব্দে চৈত্রমাসে চড়কপূজার শতবর্ষ পূর্ণ হলো। সেই উপলক্ষ্যে অতীতের সোনালি দিনগুলোকে তুলে ধরার জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। সাথে গিরিধারে চড়ক মেলা পূজা উদযাপন কমিটির জন্মের লেখক শিক্ষক দেবপ্রসাদ মন্ডল ও নব কুমার মন্ডল তাদের তথ্য অনুসন্ধানে কাজটি আরও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে ।
বাংলাদেশের বাঙালিদের অতি প্রাচীনতম লোক উৎসব চড়ক পূজা শিবের গাজন। ক্রমে ক্রমে ব্রাহ্মণ পুরোহিতরা এই গাজনকে শিব উৎসবে পরিণত করেছেন। শিবক্রমে প্রধান গ্রাম দেবতা গাজন সহজে শিবের গাজন নামে পরিণত লাভ করে। পন্ডিতেরা মনে করেন যে গাজন ও গাজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চড়ক উৎসব আদিম সমাজ থেকে এসেছে।

Ranajit Barman

0

1

920