ধ র্ষণ নিপীড়ন এর সংখ্যা প্রায় ১৫০ ছাড়িয়ে
Shorts skab
কুতুবদিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:
দেশ থেকে জলাতঙ্ক নির্মূলের লক্ষ্যে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলায় ব্যাপকহারে কুকুরের টিকাদান (এমডিভি) কার্যক্রম–২০২৫ বাস্তবায়ন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধি ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অংশগ্রহণে কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যথোয়াইপ্রু মারমা।
এমডিভি সুপারভাইজার মোঃ কামরুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাকিব উল আলম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রফিকুল ইসলাম, বড়ঘোপ ইউপি চেয়ারম্যান আ.ন.ম শহীদ উদ্দিন ছোটন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুসলিম উদ্দিন ও এনটিভির অনলাইন প্রতিনিধি আবুল কাশেম।
এসময় লেমশীখালী ইউপি চেয়ারম্যান আখতার হোছাইন, উত্তর ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হালিম সিকদার, কৈয়ারবিল ইউপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শফিউল আলম কুতুবী, কুতুবদিয়া থানার উপপরিদর্শক মোঃ মুজাম্মেল হক, সাংবাদিক নজরুল ইসলামসহ সরকারি কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য সহকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, আগামী ১৪ ডিসেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিন কুতুবদিয়ার সব ইউনিয়নে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে সকল কুকুরকে টিকা দেওয়া হবে। টিকাদান কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে বক্তারা সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মসজিদের দেয়ালে
চীনামাটি ও কাঁচের ভগ্নাংশ বসানো। এসব দিয়ে অঙ্কিত হয়েছে ফুলদানি, ফুলের ঝাড়, গোলাপ
ফুল, একটি বৃত্তে একটি ফুল, চাঁদতারাসহ নানা চিত্র। নির্মান কাজে ব্যবহার হয়েছে মার্বেল
পাথর। নানান কারুকার্যে সাজানো ওই মসজিদের রয়েছে ২৭টি মিনারসহ ৩টি বড় গম্বুজ।
নীলফামারীর সৈয়দপুর
শহরে মসজিদটি নির্মিত হয় ১৬৩ বছর আগে। অপরূপ সৌন্দর্য্যরে ওই মসজিদের নাম চিনি মসজিদ।
নির্মানকাজে চীনামাটির ব্যবহারে অনেকের কাছে চীনা মসজিদ নামে পরিচিত।
রেলের
শহর হিসেবে খ্যাত সৈয়দপুর শহরে মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল ১৮৬৩ সালে। সেই সময়ে মসজিদের
নির্মাণকাজ শুরু করেন হাজি বাকের এবং হাজি মুকু নামের দুই ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। জনশ্রুতি
আছে এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মুষ্ঠির চাল সংগ্রহের মাধ্যমে মসজিদটির নির্মান
কাজ শুরু হয়। নির্মানকাজে অর্থের প্রয়োজন হলে এলাকাবাসী স্বেচ্ছায় অর্থের যোগান দিতে
শুরু করেন।
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারসহ ১৩ জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী
চট্টগ্রাম, ০৮ নভেম্বর ২০২৫: দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় প্রতিনিয়ত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এরই ধারাবহিকতায় শনিবার (০৮-১১-২০২৫) বঙ্গোপসাগরে টহল কার্যক্রমের সময় নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা শহীদ মহিবুল্লাহ’ সাগরে ভাসমান অবস্থায় একটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১৩ জন জেলেকে উদ্ধার করে।
কুতুবদিয়া লাইট হাউজ হতে প্রায় ২০ মাইল দূরে ইঞ্জিন বিকল অবস্থায় গভীর সমুদ্রে একটি মাছধরা ট্রলার ভাসতে থাকে। ট্রলারে অবস্থানরত জেলেরা নৌবাহিনীর জাহাজ দেখতে পেয়ে জাহাজের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আলো ও হাত দিয়ে সংকেত প্রদর্শন করে। সাগরে টহলরত নৌবাহিনী জাহাজ ‘বানৌজা শহীদ মহিবুল্লাহ’ সংকেত লক্ষ করে তাৎক্ষণিক বিপদগস্ত জেলে ও ট্রলারের নিকট ছুটে যায়। অতি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নৌ সদস্যগণ ট্রলারসহ অসহায় জেলেদের উদ্ধার করে। উদ্ধারের পরপরই জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ, খাবার ও বিশুদ্ধ পানি প্রদান করা হয়। নৌবাহিনী জাহাজ উদ্ধারকৃত জেলেদের ও মাছ ধরার ট্রলারটিকে নিরাপদে তীরে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে তাদের পরিবার ও মালিক পক্ষের কাছে সকলকে হস্তান্তর করা হয়। জেলেরা জানায়, গত ০৬ নভেম্বর ২০২৫ হতে ট্রলারটি ইঞ্জিন বিকল হয়ে তিনদিন যাবৎ মাঝ সমুদ্রে ভাসতে থাকে



