ভিডিও দেখুন, পয়েন্ট জিতুন!
Korte broek Opprett
চাঁদপুরের কচুয়ায় কোমরকাশা জামালিয়া কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ জামাত ইসলামী ও দিশারী মেডিকেল (নরমাল ডেলিভারি) সেন্টারের উদ্দোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদ্রাসা ভবনে ৯ টা থেকে সারাদিন ব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে ৩ শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা সেবা ও ফ্রি ঔষধ প্রদান করা হয়েছে। কচুয়া ৭নং ইউপি জামায়াতে ইসলামীর উদ্দোগে এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের সভাপতিত্ব করেন ৭ নং ইউনিয়ন জামাতের আমির মাওলানা আব্দুস সামাদ আজাদ, নব দিগন্ত সম্পাদক কচুয়া দিশারী স্কুল মাদ্রাসা ও দিশারী মেডিকেল পরিচালক অধ্যক্ষ শাহাদাত হোসেন মুন্সী। স্থানীয় জামায়াত নেতা আবু সুফিয়ানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বিশিষ্ট সমাজসেবক জনাব কাউছার হোসেন সুমন, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনীয়ার সুফিয়ান, মাওলানা ওয়াহিদুর রহমান। কচুয়া জামালিয়া দাখিল মাদ্রাসা মুতামিম মাওলানা ছালেহ আহমেদ, ছালাম মুন্সী, মনির মুন্সী, আব্দুল হাকিম, ইঞ্জিনিয়ার রায়হান হোসেন, ও ছাত্র নেতা রামিম হোসেন, ডাঃ নাছরিন সুলতানা এমবিবিএস, পিজিটি গাইনী, ও চক্ষু ডাঃ সাগর চন্দ্র রায়। দন্ত ডাক্তার মেহেদী হাসান সোহাগ, মেডিসিন ডাক্তার সাইদুর রহমান। মেডিকেল ক্যাম্পে সার্বিক সহযোগিতা করেন, আসিফ মাহমুদ তন্ময়, সাথী আক্তার, প্রমুখ।
হাফিজ মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকী আরও বলেন,
“আমরা চাই দুর্নীতি, রাহাজানি, গুম-খুন, চাঁদাবাজি থেকে দেশকে মুক্ত করতে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, নির্বিঘ্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এজন্য প্রয়োজন একটি মৌলিক রাজনৈতিক সংস্কার, যা কেবল পি.আর পদ্ধতির মাধ্যমেই সম্ভব।”
গতকাল সাবেক প্রধান বিচারপতি জনাব খাইরুল হক সাহেবের মামলার শুনানির এক পর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষের ডিএজি এডভোকেট রাসেল কোর্টকে ধমকের সুরে জানান— “আজ শুনানি হবে না, এক সপ্তাহ পরে করতে হবে।”
এ সময় খায়রুল হক সাহেবের পক্ষের আইনজীবীগণ— কামরুল হক সিদ্দিকী, মহসিনুর রহমান, জেড আই খান পান্না, এম কে রহমান, মনসুরুল হক চৌধুরী, মঞ্জিল মোর্শেদ প্রমুখ আপত্তি জানিয়ে বলেন— “আপনি কোর্টকে ডিকটেট করতে পারেন না, আপনার সাবমিশন দিতে পারেন।”
ঠিক তখনই এজি জসিম, ইব্রাহিম খলিল, উজ্জ্বলসহ কয়েকজন বেঞ্চ থেকে লাফিয়ে উঠে বিচারপতির সামনেই আইনজীবীদের ওপর চড়াও হন। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি ও হেনস্তা, এমনকি আইনজীবী বেলায়েত হোসেনকে মারধোর পর্যন্ত করা হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, বিচারপতি বাধ্য হয়ে শুনানির তারিখ পিছিয়ে পরবর্তী রবিবার ধার্য করেন।
এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়— রাষ্ট্রপক্ষ আগে থেকেই কিছু “আইনজীবী” নামধারী মব সন্ত্রাসী নিয়োগ দিয়েছে, যাদের ভয়ে সাধারণ আইনজীবী থেকে শুরু করে বিচারপতিরাও হামলা ও হেনস্তার শঙ্কায় থাকেন। ইতিপূর্বে বিচারপতিকে ডিম নিক্ষেপ ও এজলাস ভাঙচুর-এর ঘটনাও ঘটেছে। এখন তো প্রকাশ্য আদালতে সিনিয়র আইনজীবীরাও নিরাপদ নন।
বর্তমানে বিচারালয়ে বিএনপির এই অসভ্য আচরণই বলে দেয় কেন এদেরকে এতদিন কড়া শাসনে রেখেছিলেন শেখ হাসিনা!
এস.এম হাসিবুল হাসান হাদী
আই নিউজ বিডি





