ভাড়রা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস-চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন
Shorts Lumikha
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাড়রা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৭ মে) দুপুরে ভাড়রা ইউনিয়নের সাধারণ জনগণের উদ্যোগে ইউনিয়নের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ভাড়রা বাজারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় জনসাধারণ।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নাগরপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন, ভাড়রা ইউনিয়ন (পূর্ব) বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান এবং ভাড়রা ইউনিয়ন (পূর্ব) ছাত্রদলের সভাপতি মো. আজিম মিয়া।
বক্তারা বলেন, "ভাড়রা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের একাংশ দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজি চালিয়ে আসছে। এতে সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের কাছে আমাদের জোর দাবি—এই চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।"
মানববন্ধনে বক্তারা সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত ভাড়রা ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।
জাতীয়
সমাজসেবা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে
এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি
বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা পরিষদ
সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জামশেদ আলম রানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী
কমিশনার (ভূমি) সাকিবুল আলম, থানার
ওসি (তদন্ত) ফারুক হোসাইন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কনসালটেন্ট ডা. মোরশেদ
পারভেজ।
বক্তারা
সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় আনতে সমাজসেবার গুরুত্ব তুলে ধরে সম্মিলিত
উদ্যোগের আহ্বান জানান।
ইউনিয়ন
সমাজকর্মী মোহাম্মদ হাসান মুরাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মো.
সাখাওয়াত হোসেন সাহেদ, রুপালী
রাণী দাশ (ইউনিয়ন সমাজকর্মী) এবং অফিস সহকারী কোহিনূর আকতারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের
সমাজকর্মী ও অতিথিবৃন্দ।
আলোচনা সভার শুরুতে কুরআন তেলাওয়াত করেন
মুজাহিদুল ইসলাম। হামদ পরিবেশন করেন মোহাম্মদ তফসির। মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ
বাহাউদ্দীন।





