কুতুবদিয়ার গ্রামীণ সড়কের বেহাল দশা
Kratke hlače Stvoriti
যশোরের নরেন্দ্রপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, দা'র-কোপে নারী সহকারী ২।
যশোর সদর দক্ষিণ নরেন্দ্রপুরের মোল্যাপাড়া-আমতলা এলাকায় জমি-জমা সংক্রান্ত স্থানীয় বিরোধিতা জেরে রক্তক্ষয়ী শক্তির প্রচার। ৬ আগস্ট সকাল সংঘটিত এই নারী সহ দুই জন আগামী আগস্টে যখম হয়েছে। অভিযোগ সম্বন্ধে, বিরোধলম্বল অস্ত্রের প্রতিকার প্রতিকতা করেন আবু বাশার মো. এনিয়ে তার ভাই মইনদীন মোল্লার সাথে দীর্ঘ রাত বাকবিতন্ডা হয়। পরদিন সোন্যাল এঁদের বাড়িতে বসাবসির সময় উত্তরেজনা রিপোর্টে বার্তায়। একপর্যায়ে বাশার মোল্লার ছেলে লোকমান মোল্যার বাড়িতে এসে ধারালো দা দিয়ে তার ছোট চাচি মাহফুজা বেগমকে কুপিয়ে জখম করে। স্বর্গ চাচাতো ভাই সোহেল রানা'কেও কোপ তার একটি আঙ্গুল পড়ে যায়। রক্ষকারী সংঘের খবর পেয়ে নরেন্দ্রপুর ফাঁড়ি পুলিশ সদস্যা দ্রুত উত্তর প্রকাশয়। পুলিশ যুদ্ধক লোকমান শার্ও তার বাবা আবুল বাকে ইন্সটিট করেছে। নেতাদের যশোর সদর পরিস্থিতি গঠন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন, তবে পুলিশ প্রশাসন বলেছে পুলিশ।
চাঁদপুরের কচুয়া ৩৮ টি পূজা মন্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা সার্বজনীনভাবে উদযাপন করছে কচুয়ার হিন্দু সম্প্রদায়। বুধবার ১ অক্টোবর কচুয়ার পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মহসিন উদ্দিন, সেনাবাহিনীর ল্যাপটেন্যান্ট কর্নেল মোয়াজ্জেম হোসেন , চাঁদপুরের পুলিশ সুপার আব্দুল রকিব, উপজেলা নির্বাহী অফিসার হেলাল চৌধুরী, ওসি আজিজুল ইসলাম, বিএনপি মোশারফ গ্রুপের সেক্রেটারি মনজুর আলম সেলিম, পৌর সভাপতি হাবিবুল্লাহ হাবিব, বিএনপির মিলন গ্রুপের সমন্নয়ক শাহাজালাল প্রধান, বিএনপির আরেক গ্রুপের কচুয়া থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান, জামায়াত ইসলামী কচুয়ার পৌর আমির অধ্যক্ষ মাওলানা শাহ মোহাম্মদ জাকিরুল্লাহ শাজুলী, আট নাম্বার ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাওলানা আরিফ হোসেন, জামাতের পৌর নেতা শহিদুল ইসলাম খানসহ মুসলিম ও হিন্দু সম্পরদায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কোয়া পোদ্দার বাড়ি পূজা মণ্ডপ কমিটির সভাপতি সাংবাদিক প্রিয়তোষ পোদ্ধারের পরিচালনায় পূজা মন্ডপে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা পূজা মণ্ডপ কমিটির সেক্রেটারি তমাল ঘোষ, পূজা মন্ডপের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে সাদা পোশাকে রয়েছে এন এস আই, আনসার ভিডিপি, ডিবি পুলিশ সেনাবাহিনী ও সার্বিক পরিস্থিতি তদারকিতে টহলরত রয়েছে রেব। জেলা প্রশাসক মহসিন উদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, প্রত্যেকটি পূজা মন্ডপকে এবার সিসি ক্যামেরা আওতায় আনা হয়েছে এবং বিদ্যুতের কোন সমস্যা যেন না হয় সেজন্য জেনারেটরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। চাঁদপুরের প্রত্যেকটি পূজা মন্ডপে আমি পরিদর্শন করে দেখেছি এখানে হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবাই একত্রিতভাবে সর্বজনীন দুর্গাপূজা উদযাপনে একে অপরকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, সাংবাদিকরা বিভিন্ন লেখনির মাধ্যমে আমাদের আসন্ন দূর্গা পূজার হুমকির কথাগুলো তুলে ধরেছিলেন আমরা আশা করব কচুয়াসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে এই দুর্গাপূজায় অনন্ত নজির স্থাপন হয়েছে সম্প্রীতি ভ্রাতৃত্ববন্ধন তৈরি হয়েছে সকল রাজনৈতিক দলগুলো সঙ্ঘবদ্ধভাবে হিন্দু সম্প্রদায়কে পূজা উদযাপন করতে সহযোগিতা করেছে এই বিষয়গুলো আন্তর্জাতিকভাবে সবার দৃষ্টিতে আনার জন্য সাংবাদিকবৃন্দকে অনুরোধ জানান।





