কুয়াকাটা সৈকত ফটোগ্রাফার অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা দিয়েছেন
Celana pendek Membuat
বিরলে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার
বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিরলে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের স্ত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে তার শ্বশুর মো. আব্দুস সাত্তার (৬১)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে বিরল থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই আসামি তাকে বিভিন্নভাবে অনৈতিক প্রস্তাব দিতেন। এতে রাজি না হওয়ায় ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে কয়েক দফা ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর শনিবার রাতেই অভিযান চালিয়ে বিরল পৌর শহরের শংকরপুর ডাঙ্গাপাড়া এলাকা থেকে আব্দুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল এমরান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
মামলা নং-০৩, তারিখ: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
ফরিদগঞ্জে চাল নিয়ে ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তার চালবাঁজি।
ভিজিএফের চাল নিয়ে চালবাঁজি করেছেন ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তার গোলাম মোস্তফা শামিম ।
ভিজিএফের চাল বিতরনের জন্য ইউপি চেয়াম্যান, সদস্য, সংরক্ষিত সদস্যদের সাথে আলাপ আলোচনা নাকরে নিজেস্ব কথিত বাহিনী দিয়ে কার্ড বিতরন করার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। শুধু নিজেস্ব বাহিনী দিয়ে কার্ড বিতরন করেই ক্ষান্ত্র হননি ইউপি সচিব মোস্তফা কামাল চাল বিতরন ও করেছেন তার নিজেস্ব বাহিনী দিয়ে।
ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ সদস্যরা জানান, আমরা সবাই থাকার পরও তিনি তার লোক দিয়ে সকল কিছু তদারকি করেছেন। তিনিই (গোলাম মোস্তফা) সবাইকে কার্ড দিয়েছেন , কেউ কার্ড কেড়ে নেয়নি।
নাম প্রকাশ নাকরার শর্তে একাধিক ইউপি সদস্যরা জানান, সচিব তার নিজেস্ব বাহিনী দিয়ে পরিষদ পরিচালনা করে। পরিষদে আমরা থেকেও নাই।
খোদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহের জানান , আমি ফ্যাসিবাদের আমলে জনগনের ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান। তারা আমাকে ভালোবেসে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। আমি তাদের একটা ভিজিএফের একটা কার্ড দিতে পারিনা। সচিব আমাকে নাজানিয়ে নিজে নিজে কাকে কিভাবে কি দিচ্ছে আমি জানিনা।
প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা শামিম বলেন, আমার টেবিলে সকলের সাথে আলোচনা হয়েছে। চেয়ারম্যান সকল বিষয়ে অবগত হয়ে সাক্ষর করেছেন। তিনি আরো বলেন,
আমরা চাল বিতরন করে কার্ড সংগ্রহ করতেছি এমন সময়
সমন্বয়ক পরিচয়ে মোস্তফা ১০টি কার্ড ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং হট্রগোল সৃষ্টি করে। এবিষয়ে মোস্তফা জানান, কার্ড ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ন্য মিথ্যা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুলতানা রাজিয়া বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি তাদের সাথে কথা বলে ব্যাবস্থা নিব।




