Şort oluşturmak

কাচিকাটা নবজাগরন ক্রিয়া চক্র
কে পি এল সিজন ৭

BM Hosen

0

0

12

⁣জয়পুরহাটে ১০ হাজার ৫৯৬ বোতল ফেন্সিডিল, ৩৯টি বিদেশি মদসহ মাদক মামলার আলামত ধ্বংস

Abu Raihan

0

2

17

⁣তা’মীরুল মিল্লাতের শিক্ষার্থীদের ফিলিস্তিনের সমর্থনে বিক্ষোভ


ফিলিস্তিনের উপর হামলার প্রতিবাদে গত ১৬ এপ্রিল তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (টাকসু)-এর উদ্যোগে টঙ্গীর এরশাদ নগরে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাদ্রাসার প্রধান ফটক থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি এরশাদ নগরের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে এশিয়া পাম্পের সামনে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। এই প্রতিবাদ মিছিলে তা’মীরুল মিল্লাতের প্রায় আট হাজার শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।

মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা "ফিলিস্তিন জিন্দাবাদ", "তুমি কে আমি কে - আজাদী" ইত্যাদি স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলে। এছাড়াও, শিক্ষার্থীরা ইসরায়েলি পণ্য বয়কটের আহ্বান জানায়।

সমাবেশে তুরাগ শিল্পীগোষ্ঠীর সদস্যরা একটি প্রতিবাদী পথনাটক পরিবেশন করে। নাটকের মাধ্যমে তারা ফিলিস্তিনের প্রতিবেশী দেশ তথা মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর প্রতি ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানায়।

তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (টাকসু)-এর সভাপতি ইকবাল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার সম্মানিত প্রিন্সিপাল মাওলানা মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ইসহাক আলী। এছাড়াও, টাকসুর বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টাকসুর সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির।

সমাবেশে বক্তারা ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং সকল মুসলিম দেশকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। একইসাথে, তারা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি ফিলিস্তিনের মানুষের জীবন ও মর্যাদা রক্ষায় তাদের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

Sabbir Hossain

0

1

14

⁣কালীগঞ্জ উপজেলাধীন ১নং ভোটমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ফরহাদ হোসেন মাস্টারের বিরুদ্ধে টিআর, কাবিখা,কাবিটা, উন্নয়ন সহায়তা তহবিল, হাট-বাজার, এডিপি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আদায়কৃত ট্যাক্স, সব ধরনের ভাতা, যেমন-মাতৃত্বকালীন ভাতা, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাসহ সকল কাজে স্বেচ্ছাচারিতা করে নিজের ইচ্ছেমতো পরিষদের কাজ পরিচালনা করার অভিযোগ ওঠেছে। এছাড়া ইউপি চেয়ারম্যান হওয়ার পর অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পের সভাপতি হয়ে সমস্ত টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে অনাস্থা প্রস্তাব আনয়ন করেছেন ওই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ। আজ কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের সদস্যগণ সশরীরে উপস্থিত হয়ে এই আবেদনটি করেন। আবেদনকারী সদস্যগণের মধ্যে
০১। মোঃ জয়নাল আবেদীন বাবলু- ওয়ার্ড নং ৫
০২। মোছাঃ রশিদা বেগম-ওয়ার্ড নং ১, ২ ও ৩
০৩। মোছাঃ শিউলি বেগম-ওয়ার্ড নং ৭, ৮ ও ৯
০৪। মোছাঃ বুলবুলি বেগম-ওয়ার্ড নং ৪. ৫ ও ৬
০৫। মোঃ আহেদুল ইসলাম-ওয়ার্ড নং ১
০৬। মোঃ হজরত আলী -ওয়ার্ড নং ২
০৭। মোঃ গোলজার হোসেন বসুনিয়া -ওয়ার্ড নং ৩
০৮। মোঃ আব্দুর রহিম-ওয়ার্ড নং ৪
০৯। মোঃ আসাদুল হক-ওয়ার্ড নং ৬
১০। মোঃ আব্দুল মজিদ -ওয়ার্ড নং ৭
১১। মোঃ শাহেদুল ইসলাম (আরাম) -ওয়ার্ড নং ৮
১২। মোঃ সামছুল হক-ওয়ার্ড নং ৯
একটি সুত্র নিশ্চিত করেছে, চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাঝে বিরোধ সৃষ্টির মূল কারণ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বরাদ্দকৃত টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের টাকা ভাগাভাগির কমবেশিকে কেন্দ্র করে উদ্ভুত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যা শেষপর্যন্ত অনাস্থা আয়নের মতো প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সংযুক্ত করা হলো। আরও বেশ কিছু ভিডিও আমাদের হাতে সংরক্ষিত আছে। এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে তারা জানান, ফরহাদ হোসেন মাস্টার আফজাল উদ্দিন পাবলিক ভোকেশনাল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকতার পাশাপাশি আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হন। তারপর তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়ে স্থানীয় ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে তাকে ভোট কারচুপির মাধ্যমে হারিয়ে দেওয়া হয়। তিনি সহ তার অনুসারীরা হামলা-মামলার শিকার হন। এরপর তিনি জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। ২০১৮ সালের পর তিনি জাতীয় পার্টি থেকে আবারও বিএনপিতে যোগ দেন। সর্বশেষ ইউপি নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোট করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। আওয়ামীলীগ আমলে তিনি ইউপি সদস্যদের কাছে কোণঠাসা হয়ে সুন্দরভাবে পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করলেও ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের পর তিনি স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে বেপরোয়া হয়ে যান। কাউকেই তোয়াক্কা না করে অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। বিশাল ক্ষমতাধরের অধিকারী এই চেয়ারম্যান স্থানীয় আওয়ামিলীগ নেতাদের সাথে সখ্যতা তৈরি করে বিএনপির ত্যাগী নেতাদের দূরে ঠেলে দেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যদের মধ্যে কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা অভিযোগে স্বাক্ষর করার কথা জানিয়েছেন। তারা অবিলম্বে ফরহাদ হোসেন মাস্টারকে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণের দাবি করেন।
এ বিষয়ে ভোটমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
আবেদনের কপিটি দেওয়া হলো।

Raju Mia

0

0

4

বিমান নামার প্রস্তুতি নিতেছে

TAREK Sheikh

0

0

6