সিরাজগঞ্জ মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্বে সুলতান-দুলু-মাজেদ | আই নিউজ বিডি

সিরাজগঞ্জ মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্বে সুলতান-দুলু-মাজেদ..

Rakibul Islam avatar   
Rakibul Islam
সিরাজগঞ্জ মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্বে সুলতান-দুলু-মাজেদ..
সিরাজগঞ্জ মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্বে সুলতান-দুলু-মাজেদ..
ছবি: সংগৃহীত
উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে সুলতান তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক পদে দুলাল সেখ দুলু এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মাজেদ খান নির্বাচিত হয়েছেন।..

উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে সুলতান তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক পদে দুলাল সেখ দুলু এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মাজেদ খান নির্বাচিত হয়েছেন।
 
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ শহরের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে গভীর রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
 
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মোনায়েছ খান কাবুল শনিবার জানান, ইউনিয়নের ১৫টি পদের বিপরীতে মোট ৫৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে মোট ৩ হাজার ৭৫৭ জন ভোটারের মধ্যে ৩ হাজার ৪১৪ জন তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
 
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে প্রজাপতি প্রতীকে ১ হাজার ৫৬১ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন সুলতান তালুকদার। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল আউয়াল সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৮৭৭ ভোট।
 
কার্যকরী সভাপতি পদে গাভী প্রতীকে ২ হাজার ৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নজরুল ইসলাম কুড়াল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ২৭০ ভোট।
 
সহসভাপতি পদে ঘড়ি প্রতীকে ১ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন শহিদুল ইসলাম শহিদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল রাজ্জাক মণ্ডল বাস প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ২৩০ ভোট।
 
সাধারণ সম্পাদক পদে দোয়াত-কলম প্রতীকে ১ হাজার ৬১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন দুলাল সেখ দুলু। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনিরুজ্জামান লিটন গরুরগাড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৯৬৯ ভোট।
 
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে চেয়ার প্রতীকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সেলিম রেজা। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাসুদ খান গমের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬০ ভোট।
 
সহসাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাটম প্রতীকে ১ হাজার ২৬৬ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন আবুল কালাম আজাদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মঞ্জুর রশিদ রানা গিটার প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ১৭৫ ভোট।
 
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চাঁদতারা প্রতীকে ১ হাজার ২৯ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন মাজেদ খান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জুয়েল রানা ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ১৪ ভোট।
 
কোষাধ্যক্ষ পদে হাতি প্রতীকে ১ হাজার ১৮৯ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন মোক্তার হোসেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফজলার রহমান ফজলু লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ১৬৯ ভোট।
 
সড়ক সম্পাদক পদে উড়োজাহাজ প্রতীকে ১ হাজার ৪২০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আসলাম সেখ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আলাউদ্দিন রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৩২৬ ভোট।
 
প্রচার সম্পাদক পদে মশাল প্রতীকে ১ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন রহিম উদ্দিন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুন্না সেখ মাইক প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৩৯০ ভোট।
 
দপ্তর সম্পাদক পদে মোরগ প্রতীকে ১ হাজার ৭০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মাসুদ খন্দকার। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল লতিফ তালুকদার র‍্যাকেট প্রতীকে পেয়েছেন ৯৫৪ ভোট।
 
ক্রীড়া সম্পাদক পদে আম প্রতীকে ১ হাজার ২৬৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আবুল কালাম আজাদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সোহেল রানা ব্যাট-বল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ১৯১ ভোট।
 
সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে আপেল প্রতীকে ১ হাজার ৪০৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ আলী মাসুম। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাগর সেখ গোল্ডকাপ প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ১৫৩ ভোট।
 
সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে চাকা প্রতীকে ১ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন কোরবান হোসেন সেখ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রেজাউল করিম দোয়েল পাখি প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৪৩ ভোট।
 
এ ছাড়া কার্যকরী সদস্য পদে তিনজন নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে খেজুরগাছ প্রতীকে ১ হাজার ১৫ ভোট পেয়ে হাফিজুল ইসলাম, হুক্কা প্রতীকে ৯২২ ভোট পেয়ে পুনরায় আব্দুল মজিদ এবং পানির বোতল প্রতীকে ৮২৬ ভোট পেয়ে সুমন ওরফে জেটলি নির্বাচিত হয়েছেন।
 
নির্বাচনকে ঘিরে মোটর শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণার মধ্য দিয়ে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

لم يتم العثور على تعليقات


News Card Generator