দেশের মালিক জনগণ, জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে… | আই নিউজ বিডি

দেশের মালিক জনগণ, জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী..

Sk Mizanur Rahman avatar   
Sk Mizanur Rahman
দেশের মালিক জনগণ, জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী..
দেশের মালিক জনগণ, জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী..
ছবি: সংগৃহীত
দেশের মালিক জনগণ। জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।..

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালী মোড়ে এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মোংলা বন্দর থেকে সড়কপথে বাগেরহাটের হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে কাটাখালী মোড়ে পৌঁছালে আয়োজিত এ পথসভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই কাটাখালী মোড় ও আশপাশের মহাসড়কে বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে সড়কের দুই পাশে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিগত সরকার এক যুগের বেশি সময় ধরে দেশ শাসন করে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। তারা বিদেশে অর্থ পাচার করেছে এবং দেশে গুম-খুনের রাজনীতি চালু করেছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য মিল-কলকারখানা স্থাপন করেছিলেন। অথচ পরবর্তী সময়ে দেশের শিল্পকারখানা ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের মতো আবারও ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে ছিল এবং জনগণের কল্যাণে কাজ শুরু করেছে। সরকারের লক্ষ্য স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, তরুণদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে চিকিৎসার জন্য দেশের মানুষকে বিদেশে যেতে না হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মালিক জনগণ। জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। আমাদের লক্ষ্য একটাই—‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হেলিকপ্টারযোগে মোংলা বন্দরে পৌঁছান। সেখানে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এ ছাড়া মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

কাটাখালীর পথসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী বাগেরহাট সদরে অবস্থিত হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজারে পৌঁছে জিয়ারত করেন। পরে তাঁর খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কর্মসূচি ছিল।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে বাগেরহাটের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বিশেষ করে মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

Ingen kommentarer fundet


News Card Generator