ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ৪ নম্বর ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রকিবুল হাসান খান রাসেল আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করেছেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে ধীতপুর ইউনিয়নে তাঁর নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, পাড়া-মহল্লা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ, ভোটার ও সমর্থক উপস্থিত হন। তাঁদের উপস্থিতিতে পুরো অনুষ্ঠানস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানকে ঘিরে সকাল থেকেই নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে আশপাশের এলাকা। নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে এটি স্থানীয় মানুষের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
রকিবুল হাসান খান রাসেল দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহসভাপতি, ভালুকা উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং ভালুকা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
এলাকার তরুণ সমাজকে খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসছেন তিনি। স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি এলাকায় নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন বলে জানান তাঁর সমর্থকেরা।
নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন শেষে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বক্তব্য দেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রকিবুল হাসান খান রাসেল। এ সময় তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সবার দোয়া, আশীর্বাদ ও সহযোগিতা কামনা করেন।
বক্তব্যে রাসেল বলেন, ধীতপুর ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েই তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নির্বাচিত হলে ৪ নম্বর ধীতপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন, মাদকমুক্ত ও নিরাপদ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবেন। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা এবং সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে ভোগান্তি কমানো হবে তাঁর অন্যতম অগ্রাধিকার।
এদিকে অনুষ্ঠানে আসা কয়েকজন প্রবীণ ব্যক্তি ও সাধারণ ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁরা আসন্ন নির্বাচনে যোগ্য, সৎ ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্ব প্রত্যাশা করছেন। তাঁদের মতে, এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক সেবা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন।