লালমনিরহাট প্রতিনিধি
তিস্তা মহাপরিকল্পনার অগ্রগতি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদী বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কারিগরি কমিটি কাজ করছে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অর্থমন্ত্রী ফিরে এলে এ বিষয়ে অনুমোদন পাওয়া যেতে পারে। তিস্তা ইস্যুতে ইতোমধ্যে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনার পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা তৈরিতে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। সিইজিআইএস, নদী কমিশনের কর্মকর্তা ও বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি চীন, নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতামতও নেওয়া হচ্ছে। সবার পরামর্শ সমন্বয় করে তৈরি করা হবে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি)। প্রকল্পটি কীভাবে বাস্তবায়ন করলে স্থানীয় মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন, তা নিশ্চিত করতে আরও আট থেকে নয় মাস সময় লাগতে পারে।
মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খাল প্রসঙ্গে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, আগামী ১৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী খালটির উদ্বোধন করবেন। খালটি চালু হলে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ করা হবে, যা এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও নতুন লালমনিরহাট গড়ার উদ্যোগকে এগিয়ে নেবে।
এসময় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা সুনীল কুমার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাসসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আগামী বছরের নভেম্বরে শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ: পানিসম্পদ… | আই নিউজ বিডি
আগামী বছরের নভেম্বরে শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী..
ছবি: সংগৃহীত
Inga kommentarer hittades