বনদস্যুদের হাত থেকে সুন্দরবন বাঁচানোর দাবি, শ্যামনগরে গণঅনশনের… | আই নিউজ বিডি

বনদস্যুদের হাত থেকে সুন্দরবন বাঁচানোর দাবি, শ্যামনগরে গণঅনশনের হুঁশিয়ারি..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র প্রতিবেদক: avatar   
শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র প্রতিবেদক:
বনদস্যুদের হাত থেকে সুন্দরবন বাঁচানোর দাবি, শ্যামনগরে গণঅনশনের হুঁশিয়ারি..
বনদস্যুদের হাত থেকে সুন্দরবন বাঁচানোর দাবি, শ্যামনগরে গণঅনশনের হুঁশিয়ারি..
ছবি: সংগৃহীত
সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূল, জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দস্যুদের সহযোগীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে চলমান পাঁচ দিনের কর্মসূচির তৃতীয় দিনে গণমিছিল ও সমাবেশ..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা:

সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূল, জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দস্যুদের সহযোগীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে চলমান পাঁচ দিনের কর্মসূচির তৃতীয় দিনে গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে বনবিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জেলেরা বলেন, ‘বনবিভাগ ড্রোন দিয়ে জেলে ধরতে পারে, কিন্তু ডাকাত ধরতে পারে না কেন?’

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী খেয়াঘাট থেকে গণমিছিলটি শুরু হয়। এতে গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের হাজারো জেলে-বাওয়ালি, মৌয়াল, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। মিছিলটি সাতক্ষীরা রেঞ্জের রেঞ্জ অফিস হয়ে উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য দেন বনদস্যু নির্মূল কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন লিটন, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব জি এম রস্তুম আলী, গাবুরা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব খায়রুল ইসলাম মিলন, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিম, যুবনেতা খালিদ হোসেন, বুড়িগোয়ালিনী ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হেলাল উদ্দিন, ওহিদুল ইসলাম ও আবু হোসেন।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবিয়ার রহমান, সংরক্ষিত নারী সদস্য ফরিদা খাতুন, সাবেক ইউপি সদস্য মাস্টার আব্দুর রহিম, সিরাজুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতা আশিকুর রহমান আশিক, ইয়াছিন আরাফাতসহ বনদস্যু নির্মূল কমিটির নেতারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মো. রবিউল ইসলাম।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সুন্দরবন শুধু বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, উপকূলীয় অঞ্চলের হাজারো মানুষের জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন। অথচ বনদস্যুদের অপতৎপরতার কারণে জেলে-বাওয়ালিরা নিরাপদে বনে যেতে পারছেন না। অপহরণ ও মুক্তিপণের আতঙ্কে অনেক পরিবারের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। জীবিকার তাগিদে বনে গেলেও কখন দস্যুদের কবলে পড়তে হয়, সেই উদ্বেগ নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁদের।

বক্তারা আরও বলেন, সুন্দরবনে বনদস্যু দমনের নামে কথিত আত্মসমর্পণ বা স্যালেন্ডারের নাটক বন্ধ করতে হবে। যারা বনদস্যুতার সঙ্গে জড়িত, তাদের প্রকাশ্যে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

বনবিভাগের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, ‘আপনারা ড্রোন দিয়ে জেলে ধরতে পারেন, কিন্তু ডাকাত ধরতে পারেন না। জেলেদের নিরাপত্তা দিতে পারেন না কেন?’ যারা বৈধভাবে পাশ-পারমিট নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করেন, তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বনবিভাগের। একই সঙ্গে এলাকার ভেতরে থেকে যারা বনদস্যুদের সহযোগিতা, আশ্রয় ও তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে, তাদেরও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তাঁরা।

সমাবেশ থেকে বনদস্যু নির্মূল ও জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে চলমান কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। দাবি পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে পরবর্তী সময়ে গণঅনশনের কর্মসূচি পালনেরও হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।

উল্লেখ্য, সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূল ও উপকূলীয় বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে শ্যামনগরে টানা পাঁচ দিনের কর্মসূচি পালন করছেন স্থানীয় জেলে-বাওয়ালি ও উপকূলের বাসিন্দারা।

সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূল, জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দস্যুদের সহযোগীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে চলমান পাঁচ দিনের কর্মসূচির তৃতীয় দিনে গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে বনবিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জেলেরা বলেন, ‘বনবিভাগ ড্রোন দিয়ে জেলে ধরতে পারে, কিন্তু ডাকাত ধরতে পারে না কেন?’

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী খেয়াঘাট থেকে গণমিছিলটি শুরু হয়। এতে গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের হাজারো জেলে-বাওয়ালি, মৌয়াল, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। মিছিলটি সাতক্ষীরা রেঞ্জের রেঞ্জ অফিস হয়ে উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য দেন বনদস্যু নির্মূল কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন লিটন, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব জি এম রস্তুম আলী, গাবুরা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব খায়রুল ইসলাম মিলন, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিম, যুবনেতা খালিদ হোসেন, বুড়িগোয়ালিনী ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হেলাল উদ্দিন, ওহিদুল ইসলাম ও আবু হোসেন।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবিয়ার রহমান, সংরক্ষিত নারী সদস্য ফরিদা খাতুন, সাবেক ইউপি সদস্য মাস্টার আব্দুর রহিম, সিরাজুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতা আশিকুর রহমান আশিক, ইয়াছিন আরাফাতসহ বনদস্যু নির্মূল কমিটির নেতারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মো. রবিউল ইসলাম।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সুন্দরবন শুধু বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, উপকূলীয় অঞ্চলের হাজারো মানুষের জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন। অথচ বনদস্যুদের অপতৎপরতার কারণে জেলে-বাওয়ালিরা নিরাপদে বনে যেতে পারছেন না। অপহরণ ও মুক্তিপণের আতঙ্কে অনেক পরিবারের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। জীবিকার তাগিদে বনে গেলেও কখন দস্যুদের কবলে পড়তে হয়, সেই উদ্বেগ নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁদের।

বক্তারা আরও বলেন, সুন্দরবনে বনদস্যু দমনের নামে কথিত আত্মসমর্পণ বা স্যালেন্ডারের নাটক বন্ধ করতে হবে। যারা বনদস্যুতার সঙ্গে জড়িত, তাদের প্রকাশ্যে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

বনবিভাগের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, ‘আপনারা ড্রোন দিয়ে জেলে ধরতে পারেন, কিন্তু ডাকাত ধরতে পারেন না। জেলেদের নিরাপত্তা দিতে পারেন না কেন?’ যারা বৈধভাবে পাশ-পারমিট নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করেন, তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বনবিভাগের। একই সঙ্গে এলাকার ভেতরে থেকে যারা বনদস্যুদের সহযোগিতা, আশ্রয় ও তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে, তাদেরও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তাঁরা।

সমাবেশ থেকে বনদস্যু নির্মূল ও জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে চলমান কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। দাবি পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে পরবর্তী সময়ে গণঅনশনের কর্মসূচি পালনেরও হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।

উল্লেখ্য, সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূল ও উপকূলীয় বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে শ্যামনগরে টানা পাঁচ দিনের কর্মসূচি পালন করছেন স্থানীয় জেলে-বাওয়ালি ও উপকূলের বাসিন্দারা।

Tidak ada komentar yang ditemukan


News Card Generator