মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মনগড়া: অ্যাপেক্স জুট মিলস.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মনগড়া: অ্যাপেক্স জুট মিলস..

Juwel Hossain avatar   
Juwel Hossain
মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মনগড়া: অ্যাপেক্স জুট মিলস..
মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মনগড়া: অ্যাপেক্স জুট মিলস..
ছবি: সংগৃহীত
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে এমডি মো. গোলাম মোস্তফা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্যকে অসত্য, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মনগড়া বলে দাবি করেছেন..

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বিদ্যুৎ মন্ত্রীর কাছে টাকা পাওয়ার অভিযোগে প্রেস ক্লাবের সামনে বিষপানের ঘটনা! শিরোনামে প্রচারিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে অ্যাপেক্স জুট মিলস লিমিটেড কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. গোলাম মোস্তফা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্যকে অসত্য, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মনগড়া বলে দাবি করেছেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কথিত বিষপানের ঘটনার সাথে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক বা সম্পৃক্ততা নেই।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন, ঝিনাইদহের ব্যবসায়ী আবু হাসান মিয়া একসময় অ্যাপেক্স জুট মিলস লিমিটেডে কাঁচা পাট সরবরাহ করতেন। তবে ২০১৭ সাল থেকেই তিনি মিলটিতে পাট সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন। তৎকালীন সময়েই তার সকল পাওনা টাকা নিজ হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং সে সম্পর্কিত যাবতীয় হিসাবপত্র ও লিখিত প্রমাণাদি মিলের কার্যালয়ে সংরক্ষিত রয়েছে। এমনকি পাট শিল্পের সার্বিক মন্দা ও কাঁচা পাটের সংকটজনিত কারণে ২০২০ সালেই ‘অ্যাপেক্স জুট মিল’ তাদের সকল উৎপাদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে।

প্রতিষ্ঠানের দাবি, ২০১৭ সালের পর থেকে আবু হাসান মিয়ার সাথে অ্যাপেক্স জুট মিলসের আর কোনো ব্যবসায়িক লেনদেন বা বকেয়া পাওনা ছিল না। সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি প্রতিষ্ঠানের পুরোনো বিষয়কে পুঁজি করে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে বিতর্কিত ও হেয় করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।

বর্তমানে ব্যবসায়িক কাজে জাপানে অবস্থানরত অ্যাপেক্স জুট মিলসের এমডি মো. গোলাম মোস্তফা জানান, আবু হাসান মিয়ার দাবিটি সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর। তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সত্য উন্মোচন করার আহ্বান জানিয়ে আবু হাসান মিয়ার কাছে ২০১৭ সালের পর বকেয়া পাওনার সুনির্দিষ্ট ও লিখিত কোনো প্রমাণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানান। একই সাথে, যেকোনো প্ল্যাটফর্মে মুখোমুখি হয়ে সকল স্বাক্ষরযুক্ত দলিল ও প্রমাণক উপস্থাপনে অ্যাপেক্স জুট মিলস প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি জানান।

Không có bình luận nào được tìm thấy


News Card Generator