প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কর্মতৎপরতা ও জাতীয় উন্নয়ন এজেন্ডা নিয়ে আইনমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণ.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কর্মতৎপরতা ও জাতীয় উন্নয়ন এজেন্ডা নিয়ে আইনমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণ..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কর্মতৎপরতা ও জাতীয় উন্নয়ন এজেন্ডা নিয়ে আইনমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণ..
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কর্মতৎপরতা ও জাতীয় উন্নয়ন এজেন্ডা নিয়ে আইনমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণ..
ছবি: সংগৃহীত
ঝিনাইদহ সফরকালে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান প্রধানমন্ত্রীর নিরলস কর্মপন্থা ও বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের রূপরেখা তুলে ধরেছেন।..

সোমবার ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কর্মব্যস্ততা ও রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জনসমক্ষে নিয়ে এসেছেন। মন্ত্রী দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন মাত্র চার ঘণ্টা ঘুমের সুযোগ নিয়ে ফজরের নামাজ পরবর্তী সময় থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। মূলত দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। ঝিনাইদহ পিটিআইয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে তিনি সরকারের উন্নয়ন এজেন্ডা বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতাকেই পুনরায় সামনে এনেছেন, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানসহ স্থানীয় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা এবং সরকারি কর্মকর্তাদের দায়বদ্ধতা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী অত্যন্ত কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। আসন্ন নির্বাচনকে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অধিকতর সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার জন্য সরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে তিনি জানান, যদিও বিস্তারিত কৌশল এখনো গোপনীয়তার আড়ালে রাখা হয়েছে। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, সরকারের ভেতরে বা বাইরে কেউ যদি জনগণের প্রত্যাশার পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হন, তবে তার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী নিজে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করবেন না। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে উচ্চারণ করেছেন যে, সরকারের ঘনিষ্ঠ বা উচ্চপদস্থ কেউ হলেও আইনের ঊর্ধ্বে নন এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকারের এই কঠোর অবস্থান আগামী দিনের প্রশাসনিক শৃঙ্খলার মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হবে।

বিসিআইসির সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম সংক্রান্ত সাম্প্রতিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, এ ধরনের কোনো অসংগতি তার দপ্তরে এখনো আসেনি এবং সরকার বিদ্যমান আইনি কাঠামো মেনেই ডিলার নিয়োগ ও সার বরাদ্দ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় যোগ দিয়ে তিনি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়ন, জনবল সংকটের সমাধান এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তার এই সফর ও বক্তব্যের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করার পাশাপাশি সরকারি নীতিমালার আলোকে দ্রুত সমাধানের একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে, যা জনগণের সেবার মান বৃদ্ধিতে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখে তা এখন দেখার বিষয়।

পরিশেষে, সরকারের এই উচ্চ পর্যায়ের পর্যবেক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কর্মযজ্ঞ দেশের পরিবহন ও প্রশাসনিক খাতে একটি নতুন গতির সঞ্চার করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি সরকারি দপ্তরে দুর্নীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করা সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কর্মব্যস্ততা এবং মন্ত্রীদের তদারকি মাঠ পর্যায়ে কতটুকু সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়, তার ওপরই নির্ভর করছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণের সমীকরণ এবং দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ভবিষ্যৎ।

Nessun commento trovato


News Card Generator