‘তারুণ্যের স্বপ্ন, সামাজিক সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত মানববন্ধনে তরুণ সমাজ, গণমাধ্যমকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মানবাধিকারকর্মী, বিভিন্ন উন্নয়ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ প্রায় দুই শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন এনএসএস-এর নির্বাহী পরিচালক শাহাবুদ্দিন পাননা, আমতলী উপজেলা সাংবাদিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো: জাকির হোসেন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি খায়রুল বাশার বুলবুল, আমতলী প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মহসীন মাতুব্বর, এফরটি প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. মনিরুজ্জামান এবং আমতলী ইয়ুথ হাবের সভাপতি মুক্তা রানী।
বক্তারা বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। সমাজে বিভেদ, বিদ্বেষ, অসহিষ্ণুতা ও যেকোনো ধরনের সহিংসতা মানুষের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। তাই সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শান্তি, সৌহার্দ্য ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
তাঁরা আরও বলেন, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক ও মানবিক সমাজের অন্যতম ভিত্তি। যেকোনো সহিংসতার ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত, জবাবদিহি এবং যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।
মানববন্ধনে তরুণদের সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা, মানবাধিকার সমুন্নত রাখা এবং সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক সংলাপ, সামাজিক ঐক্য এবং সম্মিলিত নাগরিক উদ্যোগের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহনশীল ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
কর্মসূচি থেকে সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করা, সকল মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।