খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ অক্টোবর টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও খাদ্যগুদাম পরিদর্শনে যান এপিএস আবদুল আওয়াল। এই সফরের উদ্দেশ্যে গত ৮ অক্টোবর মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের স্বাক্ষরে একটি সরকারি সফরসূচির নোটিশ জারি করা হয়। নোটিশে ঢাকার মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে এপিএসের যাত্রা শুরু করে পরিদর্শন শেষে পুনরায় ফিরে আসার সূচি উল্লেখ করা হয়।
অফিশিয়াল অনিয়ম ও মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ
সরকারি রীতি অনুযায়ী এপিএসের এককভাবে এমন পরিদর্শন বা সফরসূচি জারির সুযোগ নেই। কিন্তু সফর বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য নোটিশের অনুলিপি পাঠানো হয় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং জ্বালানি বরাদ্দের জন্য দেওয়া হয় পরিবহন পুলের পরিচালকের কাছে। উক্ত সফরে কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তাও এপিএসের সঙ্গী হন।
পুরো বিষয়টি জানতে পেরে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। সফর শেষে গত ১২ অক্টোবর আবদুল আওয়ালকে নিজের দপ্তরে ডেকে পাঠিয়ে অফিস ত্যাগ করার নির্দেশ দেন এবং পরবর্তীতে তাঁকে এপিএসের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত ও মন্ত্রীর বক্তব্য
এ বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, “আমার অজান্তে এবং আমাকে না জানিয়ে খাদ্যগুদাম পরিদর্শনে যাওয়ার ঘটনায় আমি চরম বিব্রত। এ কারণেই আবদুল আওয়ালকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।”
অভিযোগের বিষয়ে আবদুল আওয়াল বুলবুলের ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে মেসেজের জবাবে তিনি জানান, “আমি অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে আসছিলাম। একটি স্বার্থান্বেষী মহল অবৈধ সুযোগ-সুবিধা না পেয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার করছে। আশা করি সত্যের জয় হবে।”