সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ যৌথ তল্লাশি ও নিয়মিত অভিযানের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ-এর বরাত দিয়ে জানানো হয়।
সাঁড়াশি অভিযান ও প্রবাসীদের গ্রেফতার
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অক্টোবরের প্রথম সাত দিনে (১ থেকে ৭ অক্টোবর ২০২৬) দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে সৌদি আরবে অনুপ্রবেশের চেষ্টার সময় আরও সহস্রাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়, যাদের বড় একটি অংশ ইথিওপিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিক।
বর্তমানে আবাসন ও শ্রম আইন ভঙ্গের দায়ে ৩৩ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া ও বিচার কার্যক্রম চলছে। যাদের পর্যাপ্ত ট্রাভেল ডকুমেন্ট নেই, নিজ নিজ দেশের দূতাবাসের মাধ্যমে তাদের পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পারমিট সংগ্রহের ব্যবস্থা করে পর্যায়ক্রমে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি ও নাগরিকদের সতর্কবার্তা
সৌদি সরকার কেবল আইন লঙ্ঘনকারী প্রবাসীদেরই নয়, বরং তাদের আশ্রয় দেওয়া, চাকরি প্রদান বা পরিবহনে সহায়তা করার অপরাধে জড়িত ২১ জন ব্যক্তিকে আটক করেছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, অবৈধ অবস্থানকারীদের যেকোনো উপায়ে সহায়তা প্রদান করা গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের অপরাধের দায়ে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড, ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা এবং অপরাধে ব্যবহৃত গাড়ি বা বাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। এসংক্রান্ত কোনো অনিয়মের তথ্য জানতে পারলে তাৎক্ষণিকভাবে ৯১১ নম্বরে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।