সম্প্রতি খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খান সাইফুলের একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও সার্বিক খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবং তাঁর কার্যালয়ে সংযুক্ত অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহর তত্ত্বাবধানে সাইফুলের নতুন করে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
হাসপাতালে ভর্তি ও মেডিকেল বোর্ড গঠনের উদ্যোগ
রোববার (১১ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্সেস হাসপাতালে পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নুরুজ্জামান খানের অধীনে সাইফুলকে ভর্তি করা হয়।
সাইফুলের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার অগ্রগতি নিয়ে হাসপাতালের পরিচালক ডা. নুরুজ্জামান জানান, আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হবে এবং সে অনুযায়ী তাঁর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে।
সাইফুলকে হাসপাতালে ভর্তির সময় অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম সাইফউদ্দিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন (মিথুন), ড্যাবের আইনবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম আর হাসান, আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. মাজহারুল ইসলাম এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও মেডিকেল ইউনিটগুলোর বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশি নির্যাতনের শিকার সাইফুলের পেছনের গল্প
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর পুলিশের ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হন খান সাইফুল। সেই নির্যাতনের পর থেকেই তিনি বিভিন্ন জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এর আগেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ও নির্দেশনায় রাজধানীর একাধিক হাসপাতালে তাঁর দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছিল।