চিকিৎসা নিতে আসা এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওয়ার্ডবয়ের বিরুদ্ধে.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

চিকিৎসা নিতে আসা এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওয়ার্ডবয়ের বিরুদ্ধে..

Juwel Hossain avatar   
Juwel Hossain
চিকিৎসা নিতে আসা এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওয়ার্ডবয়ের বিরুদ্ধে..
চিকিৎসা নিতে আসা এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওয়ার্ডবয়ের বিরুদ্ধে..
ছবি: সংগৃহীত
****

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা ২১ বছর বয়সের এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে করিম সরকার (২৯) নামের এক আউটসোর্সিং ওয়ার্ডবয়ের বিরুদ্ধে। 

শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোরে হাসপাতালের নারী ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ওয়ার্ডবয় আত্মগোপনে রয়েছে।

অভিযুক্ত করিম সরকার উপজেলার কর্ণসূতি গ্রামের আব্দুল কাদের সরকারের ছেলে। তিনি আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওয়ার্ডবয় হিসেবে কর্মরত আছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাশিয়াহাটা গ্রামের এক তরুণী শারীরিক অসুস্থতা ও জ্বর নিয়ে শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। শনিবার ভোরে ওয়ার্ডবয় করিম নারীদের ওয়ার্ডে প্রবেশ করে পরীক্ষার কথা বলে ওই তরুণীর শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন।

ভুক্তভোগী তরুণী জানান, ওই ছেলেটি এসে আমার নাম-ঠিকানা জিজ্ঞেস করে এবং ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে কি না তা জানতে চায়। কথা বলার একপর্যায়ে সে আমার কপাল, গলা, পিঠ ও বুকে হাত দিয়ে বলে প্রচুর জ্বর এসেছে। আমি তখন চিৎকার করে উঠি এবং পরে বিষয়টি দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানাই।

ঘটনার পর অভিযুক্ত ওয়ার্ডবয় দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের এক কর্মী জানান, এর আগেও অভিযুক্ত করিম এক রোগীর সঙ্গে একই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছিল, যা স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়। সঠিক বিচার না হওয়ায় সে পুনরায় একই অপরাধ ঘটিয়েছে।

ঘটনার পর হাসপাতালে কর্মরত নারী কর্মীদের মধ্যেও আতঙ্ক বিরাজ করছে। ইনডোর ইনচার্জ ও জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স রূপালী খাতুন বলেন, ঘটনাটি শোনার পর থেকে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। নারী কর্মীদের সঙ্গেও এমন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারত।

এ বিষয়ে কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. আব্দুল মুকিত জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগ শোনা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলী জরুরী মিটিংয়ে থাকায় তার বক্তব্য নেওয়াও সম্ভব হয়নি।

لم يتم العثور على تعليقات


News Card Generator