নারায়ণগঞ্জে ইটভাটার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

নারায়ণগঞ্জে ইটভাটার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জে ইটভাটার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০..
নারায়ণগঞ্জে ইটভাটার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০..
ছবি: সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলীতে ইটভাটার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও আওয়ামী লীগ নেতার সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গোলাগুলি ও টেঁটাবিদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে গুলিতে ও ..

শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) দুপুর ১২টার দিকে বক্তাবলী ইউনিয়নের আকবরনগর এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষের নেপথ্য কারণ ও সূত্রপাত

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বক্তাবলী ইউনিয়নের ধলেশ্বরী নদীর পশ্চিম তীরের ইটভাটাগুলোতে মাটি ও শ্রমিক সরবরাহসহ বিভিন্ন খাতে কমিশন বাণিজ্য চলে। বিগত সরকারের আমলে এসব ইটভাটার নিয়ন্ত্রণ ছিল ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলীর সমর্থিত সামেদ আলী বাহিনীর হাতে। গত বছরের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এসব ভাটার নিয়ন্ত্রণ নেন ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদ। সম্প্রতি সামেদ আলী এলাকায় ফিরে ভাটাগুলোর নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার দিন সকালে বক্তাবলী খেয়াঘাটে দলবল নিয়ে খাওয়ার পর হালিম আজাদ তার সমর্থকদের নিয়ে প্রতিপক্ষের এলাকা আকবরনগরে মহড়া দিতে যান। এ সময় দুই পক্ষের লোকজন মুখোমুখি হলে সংঘর্ষ শুরু হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষের সময় প্রতিপক্ষের গুলিতে সামেদ আলীর ছোট ছেলে হৃদয় এবং টেঁটাবিদ্ধ হয়ে রাজুসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।

উভয় পক্ষের বক্তব্য

গুলিবিদ্ধ হৃদয় অভিযোগ করে বলেন, বাসা থেকে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার পথে বিএনপি নেতা হালিম আজাদের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং হালিম আজাদ নিজে তাকে গুলি করেন।

অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিএনপি নেতা হালিম আজাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে পরে কথা বলবেন বলে সংযোগটি কেটে দেন।

পুলিশের পদক্ষেপ

ঘটনার খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) শামিম হোসেন জানিয়েছেন, বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের নজরদারি ও তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।

Không có bình luận nào được tìm thấy


News Card Generator