ছাত্রদল প্রকাশ্যে রক্ত দিয়ে লড়েছে, কেউ তাদের ‘সুপ্ত’ বা ‘গুপ্ত’ বলতে পারে না: রুহুল কবির রিজভী.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

ছাত্রদল প্রকাশ্যে রক্ত দিয়ে লড়েছে, কেউ তাদের ‘সুপ্ত’ বা ‘গুপ্ত’ বলতে পারে না: রুহুল কবির রিজভী..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
ছাত্রদল প্রকাশ্যে রক্ত দিয়ে লড়েছে, কেউ তাদের ‘সুপ্ত’ বা ‘গুপ্ত’ বলতে পারে না: রুহুল কবির রিজভী..
ছাত্রদল প্রকাশ্যে রক্ত দিয়ে লড়েছে, কেউ তাদের ‘সুপ্ত’ বা ‘গুপ্ত’ বলতে পারে না: রুহুল কবির রিজভী..
ছবি: সংগৃহীত
“ছাত্রদল রাজপথে প্রকাশ্যে রক্ত দিয়ে লড়াই করেছে বলেই আজ কেউ তাদের ‘সুপ্ত’ কিংবা ‘গুপ্ত’ বলার সাহস দেখাতে পারে না।”..

বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৬) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন-সংলগ্ন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অডিটোরিয়ামে শহীদ আবরার ফাহাদের সপ্তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এই মন্তব্য করেন।

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাসরের সঞ্চালনায় এবং ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা মো. রহমত উল্লাহ।

আবরার ফাহাদের আত্মদান ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান

ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদ করায় ফ্যাসিস্ট সরকারের দুর্বৃত্তরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল আবরারকে। তিনি আরও বলেন, “এই জাতির রক্তের কণায় কণায় বিদ্রোহের যে স্রোত বইছে, তা শেখ হাসিনা শত গুম, খুন ও নির্যাতন চালিয়েও স্তব্ধ করতে পারেনি। আবরারের সেই শহীদী আত্মদানেরই চূড়ান্ত বিস্ফোরণ ঘটে চব্বিশের জুলাই ও ৫ আগস্টে, যার পরিণতিতে শেখ হাসিনাকে ভীত শৃগালের মতো দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে।”

দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বিএনপি বা এর অঙ্গসংগঠন কখনো কারো কাছে আত্মসমর্পণ করবে না উল্লেখ করে রিজভী বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সময়ে ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রক্তাক্ত হয়েছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন কিন্তু কখনো আদর্শচ্যুত হননি। খালেদা জিয়ার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ছাত্রদল সবসময় রাজপথে সোচ্চার ছিল।

ঢাবি কোষাধ্যক্ষ ও ছাত্রদল সভাপতির বক্তব্য

আলোচনা সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আবরার ফাহাদকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যার মাধ্যমে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকার একটি বার্তা দিতে চেয়েছিল যে, রাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী কোনো কথা বললেই একই পরিণতি বরণ করতে হবে। তবে সেই নৃশংসতাই ব্যাক ফায়ার করেছে এবং ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনে বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।

সভাপতির বক্তব্যে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বপ্রথম প্রতিবাদ জানিয়েছিল ছাত্রদল। গত সাড়ে ১৫ বছরে ছাত্রদলের শত শত নেতাকর্মী গুম-খুনের শিকার হওয়ার পরও তারা এক দিনের জন্যও রাজপথ ছাড়েননি। ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সবসময় আপসহীন থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি আবরার হত্যা মামলার রায় অনতিবিলম্বে কার্যকরের জোরালো দাবি জানান।

No se encontraron comentarios


News Card Generator