সোনারগাঁয়ে জালিয়াতি করে জমিও আত্মসাৎ চেষ্টার অভিযোগ: মামলা খারিজ, প্রকৃত মালিকদের ভোগদখল অব্যাহত.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

সোনারগাঁয়ে জালিয়াতি করে জমিও আত্মসাৎ চেষ্টার অভিযোগ: মামলা খারিজ, প্রকৃত মালিকদের ভোগদখল অব্যাহত..

Muslim Mia avatar   
Muslim Mia
সোনারগাঁয়ে জালিয়াতি করে জমিও আত্মসাৎ চেষ্টার অভিযোগ: মামলা খারিজ, প্রকৃত মালিকদের ভোগদখল অব্যাহত..
সোনারগাঁয়ে জালিয়াতি করে জমিও আত্মসাৎ চেষ্টার অভিযোগ: মামলা খারিজ, প্রকৃত মালিকদের ভোগদখল অব্যাহত..
ছবি: সংগৃহীত
সোনারগাঁও প্রতিনিধিঃ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার বারদী ইউনিয়নের আলগীরচর মৌজায় জমি জালিয়াতি ও ভূয়া দলিল সৃজনের মাধ্যমে জমি দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে একটি প্রতারক চক্র। তথ্য গোপন করে দায়ের করা একটি হয়রানিমূলক মামলা আদালত খারিজ করে দেওয়ায় মূল মালিকদের স্বত্ব ও মালিকানা বহাল রয়েছে। জানা যায়, আলগীরচর মৌজাস্থিত সিএস ও এসএ ৭৪/১ ও ৫১ নং খতিয়ানভুক্ত ২৮৫ নং দাগের ৪৪ শতাংশ জমির মধ্যে ৩০ শতাংশ জমি ১৯৬৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর ৫৬৭৫ নং রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে খরিদ করেন তমিজউদ্দিন ওরফে দরবার মিয়া। খরিদকালে দলিলে ভুলবশত ২৮৫ দাগের স্থানে ২৪৮৫ দাগ লিপিবদ্ধ হয়। পরবর্তীতে আর এস জরিপকালে বিষয়টি ধরা পড়লে সামাজিক ও পারিবারিক আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে আর এস ১৩৭ নং খতিয়ানের ৪৫০ নং দাগে ৩০ শতাংশ জমি তমিজউদ্দিনের নামে শুদ্ধভাবে রেকর্ডভুক্ত হয় এবং ওয়ারিশগণ সেখানে ফসলাদি উৎপাদন করে ভোগদখল করে আসছেন।   অভিযোগ উঠেছে, তমিজউদ্দিন ওরফে দরবার মিয়াকে দাতা দেখিয়ে ১৯৮১ সালের ২১ আগস্ট ৩৬৬১ নং একটি ভূয়া দলিল সৃজন করা হয়। উক্ত ভুয়া দলিলের ওপর ভিত্তি করে দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর তথ্য গোপন রাখার পর বাদী রহমত আলী ও দ্বীন ইসলাম ওরফে মোঃ ইসলাম গং বিবাদীদের বিরুদ্ধে ৩২/২০২১ নং একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দলিল সংশোধনের মামলা দায়ের করেন।   তবে আবশ্যকীয় ওয়ারিশদের পক্ষভুক্ত না করা, দলিলে ঘষা-মাজা ও জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা দাবি তোলায় আদালত মামলাটি খারিজ/বাতিল বলে ঘোষণা করেন। এর ফলে ১৯৮১ সালের ৩৬৬১ নং দলিলটি আইনগতভাবে অকার্যকর সাব্যস্ত হয় এবং বিবাদী মোছাঃ মোছলেমা বেগম (স্বামী- মৃত মোঃ আলী হোসেন) এর অনুকূলে জমির স্বত্ব ও বৈধ্য মালিকানা বহাল থাকে।

Tidak ada komentar yang ditemukan


News Card Generator