গাজীপুরে শীতলক্ষ্যা নদ ও তীর দখল করে জেটি নির্মাণের মহোৎসব, রাতে চলছে বালুভরাট.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

গাজীপুরে শীতলক্ষ্যা নদ ও তীর দখল করে জেটি নির্মাণের মহোৎসব, রাতে চলছে বালুভরাট..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
গাজীপুরে শীতলক্ষ্যা নদ ও তীর দখল করে জেটি নির্মাণের মহোৎসব, রাতে চলছে বালুভরাট..
গাজীপুরে শীতলক্ষ্যা নদ ও তীর দখল করে জেটি নির্মাণের মহোৎসব, রাতে চলছে বালুভরাট..
ছবি: সংগৃহীত
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বরিহাটি এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদের তীর ও সীমানা পিলার দখল করে তা ভরাট করার অভিযোগ উঠেছে। দিনের বেলায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বা নামমাত্র অভিযানের পর রাতে নির্বিঘ্নে ড্রেজার বসি..

দুই বিঘা জমি ভরাট ও জেটি নির্মাণের প্রস্তুতি স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতীরের অন্তত ১০ কাঠাসহ প্রায় দুই বিঘা জমি দখল করে তা বালু দিয়ে ভরাটের পর সেখানে একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন জেটি নির্মাণের প্রস্তুতি নিচ্ছে স্থানীয় একটি চক্র।

গত সোমবার (৫ অক্টোবর) সরেজমিন বরিহাটি শীতলক্ষ্যা তীরে দেখা যায়, নদের সীমানা পিলারের ভেতরে ও বাইরে প্রায় দুই বিঘা অংশ বালু দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। ভরাট করা অংশটির দুই পাশে টিনের বেড়া দেওয়া হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে নদ থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু তুলে এই জায়গা ভরাট করা হয়। এরপর টিনের বেড়া দিয়ে সেখানে যাতায়াতের জন্য রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়, যা বর্তমানে প্রায় শেষের পথে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক জানান, জায়গাটিতে একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন জেটি নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। স্থানীয় রানা, বকুল, শফিকুল ও তৌহিদসহ কয়েকজন এই কাজের নেপথ্যে রয়েছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে বকুলের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

স্থানীয়দের মতে, শীতলক্ষ্যা তীরের এই দুই বিঘা জমিতে জেটি নির্মাণ করে তা ভাড়া দিয়ে ব্যবসা করার পরিকল্পনা করেছে চক্রটি। নদের তীরে এ ধরনের অবৈধ জেটি নির্মাণ করে ভাড়া আদায়ের বহু নজির রয়েছে, যার অধিকাংশই নদীর সীমানার মধ্যে অবস্থিত।

পরিবেশবাদীদের নিন্দা ও প্রশাসনের বক্তব্য নদীতীর দখলের এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে এনভায়রনমেন্টাল জার্নালিজম নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক এম আসাদুজ্জামান সাদ বলেন, কোনোভাবেই নদী দখল করতে দেওয়া যাবে না। শীতলক্ষ্যার তীর দখল করে অবৈধভাবে জেটি নির্মাণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

তুমুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে অবৈধ এই কাজ বন্ধ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে কঠিন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ টি এম কামরুল ইসলাম বলেন, নদীতীর ভরাট ও দখলের এই ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

نظری یافت نشد


News Card Generator