গ্রাম পুলিশকে মারধরের পর পুলিশকে অবরুদ্ধ, তালায় গ্রেপ্তার ৩.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

গ্রাম পুলিশকে মারধরের পর পুলিশকে অবরুদ্ধ, তালায় গ্রেপ্তার ৩..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র প্রতিবেদক: avatar   
শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র প্রতিবেদক:
গ্রাম পুলিশকে মারধরের পর পুলিশকে অবরুদ্ধ, তালায় গ্রেপ্তার ৩..
গ্রাম পুলিশকে মারধরের পর পুলিশকে অবরুদ্ধ, তালায় গ্রেপ্তার ৩..
ছবি: সংগৃহীত
গ্রাম পুলিশকে মারধরের অভিযোগের তদন্তে গিয়ে পুলিশের হাত থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা; ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ ২০ অজ্ঞাতের বিরুদ্ধে মামলা..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানকে কেন্দ্র করে গ্রাম পুলিশকে মারধর এবং কর্তব্যরত পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২০ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের হাজরাকাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—হাজরাকাটি গ্রামের মৃত আপু বিশ্বাসের ছেলে মো. ফারুক বিশ্বাস, নূর ইসলাম বিশ্বাসের ছেলে রফিকুল বিশ্বাস এবং মোসলেম খাঁর ছেলে রাশেদ খাঁ।

স্থানীয় আবুল হোসেন ও নূর আলীর ভাষ্য, খলিলনগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ সোহেল শেখ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রমে পুলিশকে সহযোগিতা করে আসছেন। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এর আগে একাধিক মাদক কারবারিকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে তারা জানান।

এরই জের ধরে গত ৩ অক্টোবর রাতে হাজরাকাটি বাজারের একটি চায়ের দোকানের সামনে সোহেল শেখের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বিল্লাল বিশ্বাস, ফারুক বিশ্বাস ও হযরত সরদারসহ কয়েকজন তাঁকে লাঠি দিয়ে মারধর করে আহত এবং হত্যার হুমকি দেন। পরে তিনি তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার চেয়ে তালা থানায় লিখিত অভিযোগ ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তিনি।

ওই অভিযোগ ও জিডির ভিত্তিতে রোববার রাতে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে হাজরাকাটি গ্রামে অভিযান চালায় তালা থানা পুলিশের একটি দল। পুলিশ হযরত নামে এক অভিযুক্তকে আটক করার পর স্থানীয় কয়েকজন সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয় এবং আটক ব্যক্তিকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ।

পুলিশের দাবি, এ সময় তারা অভিযানকারী দলের সদস্যদের অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তালা থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক জানান, এ ঘটনায় উপপরিদর্শক (এসআই) তপন কুমার বিশ্বাস বাদী হয়ে গ্রেপ্তার তিনজনসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ জনকে আসামি করে রোববার রাতে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তালা থানার এসআই আমীর হোসেন জানান, গ্রেপ্তার তিনজনকে সোমবার (০৫ অক্টোবর '২৬) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হবে। তাদের রিমান্ডে নেওয়ার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তদন্তের স্বার্থে মামলার এজাহারে থাকা অন্যান্য আসামিদের পরিচয় ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগের বিস্তারিত বিষয় যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Walang nakitang komento


News Card Generator