চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থান খাতে পরিবর্তনের ঢেউ: কারণ, প্রভাব… | আই নিউজ বিডি

চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থান খাতে পরিবর্তনের ঢেউ: কারণ, প্রভাব ও প্রতিকার

আরিফুর রহমান  avatar   
আরিফুর রহমান
চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থান খাতে পরিবর্তনের ঢেউ: কারণ, প্রভাব ও প্রতিকার
চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থান খাতে পরিবর্তনের ঢেউ: কারণ, প্রভাব ও প্রতিকার
ছবি: সংগৃহীত
সম্প্রতি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের 'স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১' রূপকল্প ঘোষণার পর থেকেই দেশের কর্মসংস্থান খাতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রভাব নিয়ে আলোচনা নত...

সম্প্রতি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের 'স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১' রূপকল্প ঘোষণার পর থেকেই দেশের কর্মসংস্থান খাতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রভাব নিয়ে আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। এই রূপকল্প বাস্তবায়নে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক একটি জ্ঞান-ভিত্তিক অর্থনীতি ও স্মার্ট জনশক্তি গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তবে, বাংলাদেশ কৃষিভিত্তিক ও শ্রমঘন অর্থনীতির পর্যায় থেকে দ্রুত শিল্প ও সেবাভিত্তিক অর্থনীতিতে উত্তরণের পথে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এক বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে, দেশের তরুণ ও শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর জন্য এটি যেমন নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে, তেমনি বহু প্রচলিত চাকরির বিলুপ্তি ও ব্যাপক বেকারত্বের শঙ্কার জন্ম দিচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) ইতোমধ্যে তাদের এক গবেষণায় ইঙ্গিত দিয়েছে যে, আগামী দুই দশকে পোশাক শিল্পের প্রায় ৬০% কর্মসংস্থান স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার কারণে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এমন একটি প্রেক্ষাপটে, দেশের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যেখানে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের চাহিদা পূরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লব কেবল প্রযুক্তির অগ্রগতি নয়, বরং মানব সভ্যতার সাথে প্রযুক্তির মিথস্ক্রিয়ার একটি নতুন অধ্যায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মেশিন লার্নিং (এমএল), ইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি), রোবোটিক্স, ব্লকচেইন এবং বিগ ডেটা অ্যানালাইটিক্স-এর মতো প্রযুক্তিগুলো উৎপাদন, সেবা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবহন এবং কৃষিসহ প্রায় সকল শিল্প খাতে অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনছে। এই পরিবর্তনগুলো প্রচলিত কর্মপদ্ধতিকে স্বয়ংক্রিয় করে তুলছে, যা একদিকে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করছে, অন্যদিকে পুনরাবৃত্তিমূলক ও শ্রম-নির্ভর কাজগুলোকে প্রতিস্থাপন করছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ, যেখানে একটি বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী রয়েছে এবং শ্রমঘন শিল্পগুলোর উপর নির্ভরতা বেশি, সেখানে এই পরিবর্তনগুলো বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ৮৫ মিলিয়ন কর্মসংস্থান স্বয়ংক্রিয়করণের কারণে বিলুপ্ত হতে পারে, তবে ৯৭ মিলিয়ন নতুন কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে, যার জন্য সম্পূর্ণ নতুন দক্ষতার প্রয়োজন হবে। এই নতুন দক্ষতার মধ্যে রয়েছে জটিল সমস্যা সমাধান, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা, সৃজনশীলতা, ডিজিটাল স্বাক্ষরতা এবং ডেটা অ্যানালাইসিস। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও প্রশিক্ষণ কাঠামোকে দ্রুত এই নতুন দক্ষতার চাহিদা মেটানোর উপযোগী করে তুলতে না পারলে, আমাদের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী একটি বড় কর্মসংস্থান সংকটে পড়তে পারে। বিদ্যমান কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরকে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দ্রুত অগ্রসর হতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যৎ শিল্প খাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনবল তৈরি করতে পারে।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রভাব বাংলাদেশের কর্মসংস্থান খাতে ইতোমধ্যেই দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে স্বয়ংক্রিয় সেলাই মেশিন, কাটিং মেশিন এবং রোবোটিক্সের ব্যবহার বাড়ছে, যা ভবিষ্যতে কম দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা কমিয়ে দেবে। একইভাবে, ব্যাংক ও আর্থিক সেবায় ফিনটেক (FinTech) এবং এআই-ভিত্তিক গ্রাহক পরিষেবা রোবটের ব্যবহার বাড়ছে, যা ঐতিহ্যবাহী ব্যাংক কর্মীদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) এর তথ্য অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তাদের অর্জিত ডিগ্রির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ চাকরি খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছে, যা মূলত শিল্প খাতের চাহিদা এবং শিক্ষাব্যবস্থার সরবরাহের মধ্যে একটি বড় অসামঞ্জস্যের ফল। ইউজিসি-র সাম্প্রতিক এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্নাতক পর্যায়ের সিলেবাসে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি যেমন – কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, সাইবার নিরাপত্তা বা ডেটা সায়েন্সের অন্তর্ভুক্তির হার এখনো অপ্রতুল। এটি শুধুমাত্র নতুন চাকরি তৈরিতে বাধা দিচ্ছে না, বরং বিদ্যমান কর্মীদের জন্য দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তাও বাড়িয়ে তুলছে। এই পরিস্থিতিতে, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) এবং স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইআইপি)-এর মতো সংস্থাগুলোকে তাদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিগুলোকে শুধুমাত্র প্রচলিত দক্ষতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, ভবিষ্যৎমুখী প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতার উপর গুরুত্ব দিতে হবে। অন্যথায়, দেশের শ্রমবাজার একটি বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তনের মুখোমুখি হবে, যা সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

এই বিশাল পরিবর্তনের ঢেউ মোকাবিলায় সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করলেও, তা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের গতিশীলতার সাথে তাল মেলাতে যথেষ্ট নয়। উদাহরণস্বরূপ, স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইআইপি) এর মাধ্যমে বিভিন্ন খাতে দক্ষ জনবল তৈরির প্রচেষ্টা চলছে, কিন্তু এসব প্রশিক্ষণের মান ও আধুনিক প্রযুক্তির সাথে সঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর দেশের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা বিস্তারে কাজ করছে, তবে তাদের সিলেবাস আধুনিকায়ন ও শিল্প খাতের সাথে নিবিড় সংযোগ স্থাপনে এখনো অনেক ঘাটতি রয়েছে। এনএসডিএ জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন নীতি বাস্তবায়নে কাজ করছে, কিন্তু এর কার্যকারিতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে এর পৌঁছানো নিয়ে চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। উপরন্তু, দেশের ডিজিটাল অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখনো শহরকেন্দ্রিক, যা গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে না পারলে, দেশের কর্মসংস্থান খাতে একটি বড় ধরনের বৈষম্য দেখা দিতে পারে, যেখানে একদল মানুষ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা ভোগ করে এগিয়ে যাবে, আর অন্যদল প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাবে পিছিয়ে পড়বে। এই প্রেক্ষাপটে, একটি সমন্বিত ও সুদূরপ্রসারী কৌশল গ্রহণ করা অপরিহার্য, যেখানে শিক্ষা, শিল্প এবং সরকার একযোগে কাজ করবে।

বাংলাদেশের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা খাতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রভাব সম্পর্কিত নির্বাচিত তথ্য
সূচক উৎস প্রতিষ্ঠান সর্বশেষ তথ্য (আনুমানিক) পর্যবেক্ষণ/মন্তব্য
শিক্ষিত বেকারত্বের হার (স্নাতক পর্যায়ে, সাধারণ শিক্ষা) ইউজিসি (বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন) ৩৭.৬% (২০২১-২২ সালের স্নাতক শিক্ষার্থীদের মধ্যে) শিল্প খাতের চাহিদা ও বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতকদের দক্ষতার মধ্যে বড় ধরনের অসামঞ্জস্য নির্দেশ করে।
কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় মোট শিক্ষার্থীর অনুপাত ব্যানবেইস (বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো) ১৭.২% (২০২৩ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে) জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা (৩০%) পূরণে এখনো অনেক পিছিয়ে, যা ৪আইআর-এর জন্য দক্ষ জনবল তৈরিতে বাধা।
চতুর্থ শিল্প বিপ্লব সংশ্লিষ্ট দক্ষতায় প্রশিক্ষিত জনবলের সংখ্যা (এসইআইপি) এসইআইপি (স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম) ২০১৮-২০২৩ সাল পর্যন্ত আনুমানিক ১,২০,০০০ জন (প্রোগ্রামের আওতায়) চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল; অধিকাংশ প্রশিক্ষণ প্রচলিত দক্ষতাভিত্তিক, ৪আইআর প্রযুক্তির উপর জোর কম।
জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) কর্তৃক চিহ্নিত শীর্ষ ৩টি দক্ষতা ঘাটতির খাত এনএসডিএ (জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) ১. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা অ্যানালাইসিস; ২. অ্যাডভান্সড রোবোটিক্স ও অটোমেশন; ৩. সাইবার নিরাপত্তা এগুলো ৪আইআর-এর কোর কম্পিটেন্সি, যা দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এখনো সেভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন পলিটেকনিকে ৪আইআর ল্যাব স্থাপন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ৫০টি ল্যাব (প্রাথমিক পর্যায়ে) একটি ভালো উদ্যোগ হলেও, সারা দেশের পলিটেকনিক ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় সংখ্যা অপ্রতুল।

উৎস: বিভিন্ন সরকারি প্রতিবেদন, গবেষণা ও নীতি পর্যালোচনা থেকে সংগৃহীত ও বিশ্লেষিত তথ্য।

সুপারিশ

  • জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এর তত্ত্বাবধানে, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরকে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন নীতি-২০১১ এর আলোকে সকল স্তরের শিক্ষাক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, ডেটা সায়েন্স, সাইবার নিরাপত্তা ও ব্লকচেইন বিষয়ক মডিউল বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং এর জন্য শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক ল্যাব সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
  • জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) এবং স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইআইপি) যৌথভাবে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত পরিবর্তনশীল শিল্প খাতের জন্য ‘জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন আইন-২০১৮’ এর আওতায় ‘অন-ডিমান্ড’ এবং ‘অন-দ্য-জব’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করবে, যেখানে বেসরকারি খাতের সাথে নিবিড় অংশীদারিত্বের মাধ্যমে মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল ও রিকগনিশন অব প্রায়র লার্নিং (আরপিএল) পদ্ধতিকে উৎসাহিত করা হবে।
  • শিক্ষা মন্ত্রণালয় (এমওই) এবং বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) এর সমন্বয়ে, 'ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প ২০৪১' এর অংশ হিসেবে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে উচ্চগতির ইন্টারনেট অবকাঠামো নির্মাণ ও ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের জন্য একটি বিশেষ তহবিল গঠন করতে হবে এবং ডিজিটাল বিভাজন কমাতে ‘সবার জন্য ডিজিটাল স্বাক্ষরতা’ বিষয়ক একটি জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

✍️ নিবন্ধ লেখক: আরিফুর রহমান

আরিফুর রহমান 'আই নিউজ বিডি'-র একজন সিনিয়র সাংবাদিক ও বিষয়ভিত্তিক গবেষক। তাঁর বিশেষত্বের জায়গা: চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থান। এই নিবন্ধটি তাঁর নিজস্ব গবেষণা ও বিশ্লেষণ থেকে সংকলিত।

कोई टिप्पणी नहीं मिली


News Card Generator