মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে পূবাইলের মাঝুখান এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার মাস আগে কালীগঞ্জ পৌরসভার মুনসেফপুর এলাকার বাসিন্দা জাকির মিস্ত্রীর ছেলে জাহিদ মুন্সির দোকানে ঘড়ি কিনতে যান সরকারি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজের এক ছাত্রী। সেখান থেকেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একটি গেস্ট হাউজে নিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন এবং গোপনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন জাহিদ মুন্সি।
পরবর্তীতে সেই গোপন ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। সম্প্রতি ওই ছাত্রী বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাকে মারধর করা হয়। পরে ভুক্তভোগী তার বোনকে নিয়ে জাহিদের বাড়িতে গিয়ে জানতে পারেন, তিনি ইতোপূর্বেও একাধিক বিয়ে করেছেন এবং তার একটি সন্তান রয়েছে।
এ ঘটনায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী কলেজছাত্রীর বড় বোন বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে জাহিদ মুন্সি আত্মগোপনে ছিলেন।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, "মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামি পলাতক ছিল। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুবাইলের মাঝুখান এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিকে গাজীপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।"