নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে বইছে উৎসবের মাতম, ফিরে এসেছে প্রাণের স্পন্দন।১৭টি পদের বিপরীতে মোট ৪৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় পুরো চত্বরজুড়ে এখন টানটান উত্তেজনা ও লড়াইয়ের আমেজ।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত জিবি টেলিভিশনের হলরুমে এক প্রাণবন্ত ও জমকালো পরিবেশে শেষ হয় মনোনয়নপত্র বিতরণ ও গ্রহণ কার্যক্রম। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন দিলু এবং নির্বাচন কমিশনার আব্দুল আহাদ, এম. শহিদুর রহমান ও আবুল কালামের প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে এ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
সংগঠনের শীর্ষ পদগুলোতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর থেকেই শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা-পর্যালোচনা। সভাপতি পদে প্রার্থিতা জানান দিয়েছেন চার হেভিওয়েট মুখ সৈয়দ জেলওয়ার হোসেন স্বপন, এনামুল হক এনাম, আবুল কাশেম রুমেল ও মাহফুজ আহমদ চৌধুরী। সিনিয়র সহ-সভাপতি পদের লড়াইয়ে আছেন আজিজুর রহমান খান, গোলাম দস্তগীর ছামিন, মো. জহিরুল ইসলাম ও এমজি মোস্তফা। সহ-সভাপতি পদে নাম লিখিয়েছেন আব্দুল খালিক ও মো. বদরুল আলম। সাংবাদিকদের নজর কাড়া সাধারণ সম্পাদক পদের দ্বিমুখী লড়াই জমিয়ে তুলেছেন মাহবুবুর রহমান চৌধুরী ও ইমরান আহমদ। এছাড়া সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুল আজিজ বাবর, জাহিদ উদ্দিন ও সাকিব আল মামুন এবং কোষাধ্যক্ষ পদে আনোয়ার হুমায়ুন ও দেলোয়ার হোসেন মাহমুদ নিজেদের প্রার্থিতা নিশ্চিত করেছেন।
সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যান্য বিভাগেও লড়াইয়ের আবহাওয়া বেশ উত্তপ্ত। ক্রীড়া সম্পাদক পদে মো. তামিম আহমদ ও সাজু মিয়া, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ফাহাদ হোসেইন ও রুহূল আমিন, প্রচার সম্পাদক পদে মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জালাল আহমদ চৌধুরী ও ফাহিম আহমদ, প্রকাশনা সম্পাদক পদে শাকেল উদ্দিন ও ছাইম ইবনে আব্বাস, দপ্তর সম্পাদক পদে রিমন আহমদ, ওলিউর রহমান তামিম ও রুবেল আহমদ তালুকদার, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে জাবের আহমদ ও সামিল হোসেন এবং প্রশিক্ষণ সম্পাদক পদে হাফিজুল ইসলাম, জাবেদ মাহবুব, হাবিবুর রহমান, ফারহান ইসলাম রাজু ও সালমান কাদের দিপু লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত।
একই সঙ্গে কার্যকরী সদস্য পদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিয়েছেন জাবেদ আহমদ, বাবর জোয়ারদার, আব্দুল্লা আল মাসুদ, আব্দুল্লা আহমদ, মোহাম্মদ মাহদী রহমান, মোহাম্মদ জাবের আহমদ, ফখরুল ইসলাম, মীর কাওছার, আরিফ আহমদ জিলু, দীনেশ দেবনাথ ও এম. আব্দুল জলিল।
নির্বাচনী রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর রাত ৯টা পর্যন্ত প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সুযোগ পাবেন। এর পরদিনই, অর্থাৎ ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ৩ অক্টোবর সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে বহু প্রতীক্ষিত ভোটগ্রহণ, আর একই দিন বিকেল ৩টায় ঘোষিত হবে বিজয়ী নেতৃত্বের নাম।
৩ অক্টোবরের ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমেই নির্ধারিত হতে যাচ্ছে ক্লাবের আগামী দিনের নতুন কাণ্ডারি।