রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা ১১ হাজার কোটি টাকা অর্থ পাচার ও কমিশন গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করে আসিফ মাহমুদ বলেন, দীর্ঘ আওয়ামী শাসনামলে সংঘটিত দুর্নীতি ও অর্থ লুটপাটের ঘটনায় বর্তমান প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম কেন দেখা যাচ্ছে না, সেটিই প্রশ্ন।
তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে নতুন রাজনৈতিক শক্তির নেতাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একের পর এক অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
দুদকের কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা
দুর্নীতি দমন কমিশনের বর্তমান কার্যক্রমেরও সমালোচনা করেন এনসিপির এই মুখপাত্র।
আসিফ মাহমুদ বলেন, দুদকের প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হয়নি। একই সঙ্গে দুদক-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের ফলে প্রতিষ্ঠানটি অতীতের মতো আবারও রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, যা এখন বাস্তবে স্পষ্ট হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের তৎপরতা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে লড়াই করতে তারা প্রস্তুত।
এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশন আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পে কমিশন গ্রহণ এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানায়। এরপরই সংবাদ সম্মেলনে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন এনসিপির এই নেতা।
তবে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধানের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। দুদকের অনুসন্ধান এখনো চলমান রয়েছে।