বেনাপোলে ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু: আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ভারতে পাঠাল ইমিগ্রেশন.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

বেনাপোলে ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু: আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ভারতে পাঠাল ইমিগ্রেশন..

MAHADI HASSAN RIPON avatar   
MAHADI HASSAN RIPON
বেনাপোলে ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু: আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ভারতে পাঠাল ইমিগ্রেশন..
বেনাপোলে ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু: আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ভারতে পাঠাল ইমিগ্রেশন..
ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে তার স্ত্রী জাহানারা মিস্ত্রি স্বামীর মরদেহ নিয়ে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।..

মেহেদী হাসান রিপন, স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশে বেড়াতে এসে স্ট্রোক করে মারা যাওয়া ভারতীয় নাগরিক গৌতম মিস্ত্রির (৫৫) মরদেহ আইনি জটিলতা ও দূতাবাসের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র সম্পন্ন করে অবশেষে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে তার স্ত্রী জাহানারা মিস্ত্রি স্বামীর মরদেহ নিয়ে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

মৃত গৌতম মিস্ত্রি কলকাতার ৭৮/১, কালিয়া নগর সুরাইয়া সেন পল্লির রমনী মিস্ত্রির ছেলে। তার পাসপোর্ট নম্বর T-3361611।

ইমিগ্রেশন ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে স্ত্রীকে নিয়ে বাংলাদেশে বরিশালে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন গৌতম মিস্ত্রি। ভ্রমণ শেষে গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ভারতে ফেরার উদ্দেশ্যে তারা বেনাপোল পৌঁছান। কিন্তু বাস থেকে নামার পরপরই তিনি মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, স্ট্রোকজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।

হঠাৎ মৃত্যুর ঘটনায় প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ ও কাগজপত্র না থাকায় সাথে সাথে মরদেহ ভারতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে স্থানীয় হাসপাতাল থেকে ডেথ সার্টিফিকেট, থানার সাধারণ ডায়েরির (জিডি) কপি এবং ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন থেকে ছাড়পত্র সংগ্রহ করা হয়। সব ধরনের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর শুক্রবার সকালে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে মরদেহ নিয়ে দেশে ফেরার অনুমতি দেয়।

স্বামীর অকাল মৃত্যু ও চরম অর্থসংকটে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন স্ত্রী জাহানারা মিস্ত্রি। তিনি জানান, বিপদের মুহূর্তে তার কাছে কোনো টাকা ছিল না। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও বেনাপোল ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তারা ঢাকা আসা-যাওয়া, খাবার ও মরদেহ পরিবহনের সমস্ত খরচ বহন করেছেন। বাংলাদেশি মানুষের এই বিরল মানবিকতায় তিনি অশ্রুসজল কণ্ঠে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক নথি ও দূতাবাসের ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরপরই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সার্বিক সহায়তা দিয়ে মরদেহ ভারতে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator