ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে বার্সেলোনা। পুরো ম্যাচে প্রায় ৭০ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখে ১০টি শট লক্ষ্যে রাখে তারা। তবে অ্যাথলেটিকের গোলরক্ষক উনাই সিমনের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে প্রথমার্ধে ব্যবধান বাড়াতে পারেনি স্বাগতিকরা।
৩৮তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় বার্সেলোনা। পেদ্রির দুর্দান্ত থ্রু-বলে রাফিনহা ডিফেন্স ভেঙে গোলরক্ষক উনাই সিমনের সামনে চলে যান। এরপর গোলরক্ষককে কাটিয়ে ফাঁকা জালে বল পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন বার্সেলোনার অধিনায়ক।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধারাবাহিকতা ধরে রাখে বার্সেলোনা। লামিনে ইয়ামালের একটি শট ক্রসবারে আঘাত করে। এর আগে রাফিনহার শটও পোস্টে লেগেছিল। অন্যদিকে অ্যাথলেটিকের ওইহান সানসেটের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসায় সমতায় ফেরার সুযোগও নষ্ট হয় তাদের।
বার্সেলোনার আক্রমণের সামনে শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেনি অ্যাথলেটিক। ৮২তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফেরমিন লোপেজ। বদলি খেলোয়াড় করিম আদেয়েমির নিচু ক্রস ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন আয়মেরিক লাপোর্তে। সেই সুযোগে বল নিয়ন্ত্রণ করে কাছ থেকে জালে পাঠান লোপেজ।
ম্যাচের শেষদিকে নতুন তারকা রদ্রিরও বার্সেলোনার হয়ে অভিষেক হয়। রাফিনহার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন তিনি। দানি ওলমোকেও বদলি হিসেবে খেলান কোচ হান্সি ফ্লিক।
এই জয়ে দুই ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে বার্সেলোনা। অন্যদিকে অ্যাথলেটিক ক্লাব টানা দুই ম্যাচে পয়েন্টহীন থাকল।