সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দুর্গাপুরে ৫ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের ৫ গুণীজন পেলেন সম্মাননা পদক.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দুর্গাপুরে ৫ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের ৫ গুণীজন পেলেন সম্মাননা পদক..

Rajesh Gour avatar   
Rajesh Gour
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে  দুর্গাপুরে ৫ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের  ৫ গুণীজন পেলেন সম্মাননা পদক..
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে  দুর্গাপুরে ৫ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের  ৫ গুণীজন পেলেন সম্মাননা পদক..
ছবি: সংগৃহীত
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ১৮০ দিনের কর্মসূচির অন্তর্ভুক্তির অংশ হিসেবে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে..

৫টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের ৫ জন গুণী ব্যক্তিকে  সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়েছে।  

শনিবার বিকেলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কালচারাল একাডেমির আয়োজনে একাডেমি হলরুমে গুনীজনদের এ সম্মাননা দেয়া হয়। 

কালচারাল একাডেমির সভাপতি অঞ্জন কুমার চিছাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুনীজনদের হাতে সম্মাননা পদক তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ সাদাত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, 
গারো ব্যাপিষ্ট কনভেনশন এর প্রেসিডেন্ট সুবন্ত রখো, বাংলাদেশ জাতীয় হাজং সংগঠনের সভাপতি পল্টন হাজং, হদি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি সমীরণ সিংহ, বানাই সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি মৃনাল কান্তি বানাই,গারো ব্যাপিষ্ট কনভেনশন এর সাবেক  প্রেসিডেন্ট পংকজ মারাক,পৌর বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান খান ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক হারেজ গনি, সাংবাদিক সমিতির সভাপতি দিলোয়ার হোসেন তালুকদার।

সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন, হদি সম্প্রদায় থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ সন্তোষ বিশ্বাস (মরনোত্তর), গারো সম্প্রদায় থেকে বিভা সাংমা( মরনোত্তর), হাজং সম্প্রদায় থেকে হরিদাস হাজং, বানাই থেকে বিশ্বেশ্বর বানাই, কোচ থেকে যুগল কিশোর কোচ । নিজস্ব সম্প্রদায় ও সমাজে শিক্ষা, সংস্কৃতি, ভাষা এবং সামাজিক উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

কালচারাল একাডেমির পরিচালক অঞ্জন কুমার চিসাম বলেন,১৯৭৭ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কালচারাল একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।  দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ক্ষু নৃ গোষ্ঠীদের উন্নয়নে কাজ করে গেছেন।  আজ দেশনেত্রীর  জন্মদিন উনার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি  আমরা পাঁচটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নিয়ে কাজ করি। গারো, হাজং, কোচ, বনাই, হদি এবং এটি এই সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও প্রান্তিক মানুষের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় কাজ চলমান রয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ গুণী মানুষদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চায় আগ্রহী করে তুলবে।

প্রধান অতিথি  আহমেদ সাদাত বলেন,
আমি প্রথমে পদকপ্রাপ্ত গুণী ব্যক্তিদের সম্মান জানাচ্ছি এবং সালাম জানাচ্ছি এবং তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আজকের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য। আর বর্তমান সরকার যে উদ্যোগটা নিয়েছেন যে আমাদের যে বিভিন্ন সম্প্রদায় বিশেষত গারো, হাজং  কোচ,  হদি এবং বানাই সম্প্রদায়ের লোকদের যে সম্মানিত করার জন্য যে উদ্যোগটা গ্রহণ করেছেন সেটা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।  আমরা সবসময় জানি পদক বা সম্মাননা সবসময় আমাদের আরো একটু সম্মানিত করে ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করে এবং নতুনদের অনুপ্রেরণা যোগায়। আমি আজকে পদকপ্রাপ্ত গুণী ব্যক্তিবর্গের বক্তব্য শুনলাম এবং তাদের বক্তব্যে তারা তাদের সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে উনারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তারা অনেকেই বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগ আপ্লুত হয়েছেন। আসলে যেকোনো সম্মাননা যেকোনো ব্যক্তিকে অবশ্যই আবেগ আপ্লুত করবে। কারণ তারা দীর্ঘদিন থেকেই তাদের সমাজের জন্য তাদের সংস্কৃতি রক্ষার জন্য   দীর্ঘদিন কাজ করে গেছেন। সেজন্যই আজকে আমরা তাদের সম্মাননা দিতে পেরেছি।

শেষে কালচারাল একাডেমির শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়

Inga kommentarer hittades


News Card Generator