কানাডা হাইকমিশনের সহায়তায় জয়পুরহাটে আদিবাসী নারীদের স্ট্রবেরিভিত্তিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন।.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

কানাডা হাইকমিশনের সহায়তায় জয়পুরহাটে আদিবাসী নারীদের স্ট্রবেরিভিত্তিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন।..

M Rasel Ahmed avatar   
M Rasel Ahmed
কানাডা হাইকমিশনের সহায়তায় জয়পুরহাটে আদিবাসী নারীদের স্ট্রবেরিভিত্তিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন।..
কানাডা হাইকমিশনের সহায়তায় জয়পুরহাটে আদিবাসী নারীদের স্ট্রবেরিভিত্তিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন।..
ছবি: সংগৃহীত
কানাডা হাইকমিশনের সহায়তায় জয়পুরহাটে আদিবাসী নারীদের স্ট্রবেরিভিত্তিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন।..

উউত্তরাঞ্চলের  প্রান্তিক আদিবাসী নারীদের জীবন-জীবিকায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে জয়পুরহাটে স্ট্রবেরিভিত্তিক একটি উদ্ভাবনী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশস্থ কানাডা হাইকমিশনের কানাডা ফান্ড ফর লোকাল ইনিশিয়েটিভস (সিএফএলআই)-এর সহায়তায় বাস্তবায়িত এ উদ্যোগের লক্ষ্য আদিবাসী নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা, উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং তাদের জন্য টেকসই জীবিকার নতুন পথ তৈরি করা।

“Empowering Indigenous Women and Enhancing Market Access Through Value-Added Strawberry-Based Enterprise Development” শীর্ষক প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় গত ৩০ জুলাই এক ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে। প্রকল্পটি জয়পুরহাট জেলার কর্মকার ও পাহান আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নারীদের কেন্দ্র করে পরিচালিত হবে।

গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডাহুক (Daahuk – Research & Development Organisation) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। এ উদ্যোগের আওতায় গবেষণাভিত্তিক একটি সমবায় কাঠামো গড়ে তোলা হবে, যেখানে আদিবাসী নারীরা নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন, নিরাপদ স্ট্রবেরি চাষ, মূল্যসংযোজিত পণ্য উৎপাদন এবং বাজারের সঙ্গে সংযোগ তৈরির সুযোগ পাবেন। গবেষণা, পণ্য উদ্ভাবন এবং বাজার সম্প্রসারণেও প্রকল্পটি সহায়তা দেবে।

প্রকল্পটির কমিউনিটি এনগেজমেন্ট পার্টনার হিসেবে কাজ করবে পিপলস ইউনিয়ন অব দ্য মার্জিনালাইজড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (পামডো)। 

প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রকল্প পরিচালক ও গবেষক মাগফি রেজা সিদ্দিক বলেন, “এই প্রকল্পটি উত্তর বাংলাদেশের প্রান্তিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য সম্ভাবনার এক সেতুবন্ধন। দীর্ঘদিন ধরে তারা যে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, সেগুলো মোকাবিলায় প্রয়োজন আরও গভীর মনোযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই সমাধান। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আমাদের নতুন ও উদ্ভাবনী পথ খুঁজে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, গবেষণা, সমবায়ভিত্তিক নেতৃত্ব এবং বাজারমুখী উদ্যোগের সমন্বয়ে এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের সমতলের অন্যান্য আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্যও একটি কার্যকর ও অনুসরণযোগ্য মডেল হয়ে উঠতে পারে।”

তিনি জানান, এই উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু স্ট্রবেরি চাষ নয়; বরং আদিবাসী নারীদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় করা এবং নিজেদের উন্নয়নের নেতৃত্ব নিজেরাই গ্রহণ করতে সক্ষম করে তোলা।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সমষ্টিগত উদ্যোগের সমন্বয়ে প্রকল্পটি উত্তরাঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার পাশাপাশি মর্যাদা, আত্মবিশ্বাস ও টেকসই উন্নয়নের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

کوئی تبصرہ نہیں ملا


News Card Generator