আজ (৩ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে দ্রুত শজিমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।
শংকর কুমার পাল বডি বিল্ডিংয়ে জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ অবদান রাখেন। তার অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতায় বগুড়ার বহু তরুণ শরীরচর্চায় আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। তার হাত ধরে শরীরচর্চায় প্রশিক্ষিত অনেক তরুণ পরবর্তীতে নিজস্ব শরীরচর্চা কেন্দ্র গড়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন। জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন পুরস্কারেও ভূষিত হন তিনি।
ক্রীড়াঙ্গনে অবদানের কারণে নগরবাসীর কাছে ‘লোহ মানব’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন শংকর কুমার পাল। তার মৃত্যুতে বগুড়ার ক্রীড়াঙ্গন ও শরীরচর্চা মহলে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।