ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে অনুমতি ছাড়া গান ব্যবহারের অভিযোগে এবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় মার্কিন গায়ক-গীতিকার নোয়াহ কাহান সম্প্রতি মিশিগানের একটি জেনারেল মোটরস কারখানায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফরের ভিডিও সংবলিত ইনস্টাগ্রাম পোস্টে নিজের ‘আমেরিকান কারস’ গানটি যুক্ত করায় হোয়াইট হাউসের কড়া সমালোচনা করেন তিনি প্রখ্যাত এই শিল্পী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁর গানের এমন ব্যবহার তিনি কোনোভাবেই সমর্থন করেন না
সোশ্যাল মিডিয়ার সেই পোস্টে সরাসরি মন্তব্য করে ২৯ বছর বয়সী এই শিল্পী লেখেন, “আপনাকে কিংবা আপনার প্রশাসনকে সমর্থন জানাতে আমার গান ব্যবহারের অনুমতি আমি কখনোই দেব না” নোয়াহ কাহানের এই স্পষ্ট আপত্তির জবাবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কেলান ডোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ শিল্পীর ২০২২ সালের হিট গান ‘নর্দান অ্যাটিটিউড’-এর কথা উল্লেখ করে পাল্টা কটাক্ষ করেন তবে শিল্পীর এই কঠোর অবস্থান ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচারণায় সংগীতের বিনা অনুমতিতে ব্যবহার নিয়ে চলমান বিতর্ককে আবারও উসকে দিয়েছে
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর বিশ্বখ্যাত সংগীতশিল্পীদের ক্ষুব্ধ হওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম নয় নোয়াহ কাহানের এই ঘটনার মাত্র কয়েক দিন আগেই গায়িকা কেটি পেরি হোয়াইট হাউসের বিরুদ্ধে তাঁর ‘ফায়ারওয়ার্ক’ গানটি ইরানে সামরিক হামলার ভিডিওতে অনুমতি ছাড়া ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন পেরি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নিজের একটি ইতিবাচক গানকে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পটভূমি হিসেবে ব্যবহার করা অত্যন্ত হতাশাজনক এর আগেও বিয়ন্সে, ফু ফাইটার্স, সেলিন ডিওন, কেশা, টম পেটি এবং জ্যাক হোয়াইটের মতো বিশ্বখ্যাত শিল্পীরা ট্রাম্পের রাজনৈতিক আয়োজনে তাঁদের গান ব্যবহারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে আপত্তি এবং আইনি পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছিলেন
উল্লেখ্য, মার্কিন সংগীত জগতে সম্প্রতি দুর্দান্ত সফলতা অর্জন করেছেন নোয়াহ কাহান চলতি মাসেই বস্টনের ঐতিহ্যবাহী ফেনওয়ে পার্কে কনসার্ট করা এই শিল্পীর অ্যালবাম ‘দ্য গ্রেট ডিভাইড’ প্রকাশিত হওয়ার পর তা বিলবোর্ড ২০০ চার্টের শীর্ষস্থান দখল করে নেয় সংগীত ক্যারিয়ারের এই স্বর্নালী সময়ে এসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমতিহীন গান ব্যবহারের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া শিল্পীদের দীর্ঘ তালিকায় যুক্ত হলেন নোয়াহ কাহান