বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট) মোহাম্মদ আজাদ হোসেন। অভিযানে ক্লিনিকে ডিউটি চিকিৎসক ও নিবন্ধিত নার্সের অনুপস্থিতি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং ল্যাব পরীক্ষার রিপোর্ট সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় রেকর্ড না থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ সময় সিভিল সার্জন কার্যালয়, বগুড়া ও বাংলাদেশ পুলিশ অভিযানে সহযোগিতা
📊
সংবাদ পরিসংখ্যান চার্ট