- সালাউদ্দিন আকবর
সরকারের দেশীয় প্রযুক্তিতে স্বাস্থ্যসেবা ঢেলে সাজানোর মহাপরিকল্পনার মধ্যেই মাঠপর্যায়ে অনন্য এক নজির স্থাপন করলো নারায়ণগঞ্জের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘টিম খোরশেদ’। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে তেজগাঁওয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ‘দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরিসংক্রান্ত’ উচ্চপর্যায়ের সভার ধারাবাহিকতায়, নিজস্ব উদ্যোগে দেশীয় প্রযুক্তির এক বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করেছে এই টিম। মূলত প্রত্যন্ত অঞ্চলের এবং শহরের অত্যন্ত সরু ও দুর্গম অলিগলির সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় দ্রুত ফ্রি চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
সরু রাস্তার যমদূত, সাধারণের বন্ধু
বাংলাদেশের গ্রামীণ সড়ক ও শহরাঞ্চলের অনেক অলিগলি এতটাই সরু যে সেখানে প্রচলিত বড় আকৃতির অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করতে পারে না। ফলে জরুরি মুহূর্তে অনেক রোগীকে মূল সড়ক পর্যন্ত কাঁধে বা রিকশায় করে নিয়ে আসতে গিয়ে মূল্যবান সময় নষ্ট হয়।
বাংলাদেশের গ্রামীণ সড়ক ও শহরাঞ্চলের অনেক অলিগলি এতটাই সরু যে সেখানে প্রচলিত বড় আকৃতির অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করতে পারে না। ফলে জরুরি মুহূর্তে অনেক রোগীকে মূল সড়ক পর্যন্ত কাঁধে বা রিকশায় করে নিয়ে আসতে গিয়ে মূল্যবান সময় নষ্ট হয়।
টিম খোরশেদের তৈরি এই বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সটি স্থানীয় ভৌগোলিক বাস্তবতাকে মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে। এটি খুব সহজেই যেকোনো সরু রাস্তা দিয়ে রোগীর ঘরের দুয়ারে পৌঁছে যেতে সক্ষম।
বিনা মূল্যে জরুরি সেবা
এই অ্যাম্বুলেন্সটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সাধারণ মানুষকে সেবা প্রদান করবে। প্রাথমিক জরুরি চিকিৎসা ও অক্সিজেন সাপোর্টসহ রোগীকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তরের সব রকম সুবিধা রাখা হয়েছে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই যানটিতে।
এই অ্যাম্বুলেন্সটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সাধারণ মানুষকে সেবা প্রদান করবে। প্রাথমিক জরুরি চিকিৎসা ও অক্সিজেন সাপোর্টসহ রোগীকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তরের সব রকম সুবিধা রাখা হয়েছে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই যানটিতে।
জনকল্যাণে আশাবাদী টিম খোরশেদ
নতুন এই উদ্যোগ নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী টিম খোরশেদের উদ্যোক্তারা।
নতুন এই উদ্যোগ নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী টিম খোরশেদের উদ্যোক্তারা।
তারা জানান, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দেশীয় প্রযুক্তির স্বাস্থ্যসেবা নেটওয়ার্কের ধারণাকে বুকে নিয়েই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। অনেক সময় সামান্য দূরত্বের কারণে বা সরু গলিতে গাড়ি না ঢোকার কারণে রোগীর জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। আমরা বিশ্বাস করি, এই ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসটি সাধারণ মানুষের সেই কষ্ট ও অবসান দূর করবে এবং আপদকালীন সময়ে তাদের সবচেয়ে বড় ভরসার জায়গা হয়ে উঠবে।"
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের ঘোষিত রোডম্যাপের সাথে সংগতি রেখে তৈরি এই অ্যাম্বুলেন্সটি স্থানীয় পর্যায়ে চিকিৎসা সেবায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে মনে করছেন সাধারণ নাগরিকরা।