গভীর রাতে জঙ্গল সলিমপুর ‘যুদ্ধক্ষেত্র’, র‍্যাব ক্যাম্পে হামলা ও গু‌লি বর্ষণ.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

গভীর রাতে জঙ্গল সলিমপুর ‘যুদ্ধক্ষেত্র’, র‍্যাব ক্যাম্পে হামলা ও গু‌লি বর্ষণ..

M. JAMSHED ALAM avatar   
M. JAMSHED ALAM
গভীর রাতে জঙ্গল সলিমপুর ‘যুদ্ধক্ষেত্র’, র‍্যাব ক্যাম্পে হামলা ও গু‌লি বর্ষণ..
গভীর রাতে জঙ্গল সলিমপুর ‘যুদ্ধক্ষেত্র’, র‍্যাব ক্যাম্পে হামলা ও গু‌লি বর্ষণ..
ছবি: সংগৃহীত
গভীর রাতে জঙ্গল সলিমপুর ‘যুদ্ধক্ষেত্র’, র‍্যাব ক্যাম্পে হামলা ও গু‌লি বর্ষণ..
গভীর রাতে জঙ্গল সলিমপুর ‘যুদ্ধক্ষেত্র’, র‍্যাব ক্যাম্পে হামলা ও গু‌লি বর্ষণ
 
এম জামশেদ আলম, সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি :

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর এলাকায় গভীর রাতে র‍্যাবের ক্যাম্পে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। হামলার সময় বুলডোজার দিয়ে ক্যাম্পের দেয়ালসহ বিভিন্ন অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যাতায়াত ঠেকাতে অন্তত তিনটি স্থানে রাস্তা কেটে ফেলা হয় বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

সোমবার (২৫ মে) রাত প্রায় ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। র‍্যাবের দাবি, কুখ্যাত ইয়াসিন বাহিনীর সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালায়।

র‍্যাব জানায়, হামলার সময় সন্ত্রাসীরা ক্যাম্প লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে র‍্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়েন। পরে নানা প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে অভিযানের সময় বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী পালিয়ে যায়।

র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী ইয়াসিন বাহিনীর সদস্যরা র‍্যাব ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যরা যাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে না পারেন, সেজন্য বিভিন্ন স্থানে কালভার্টের পাশে রাস্তা কেটে দেওয়া হয়। এরপরও আমরা অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি।”

র‍্যাব কর্মকর্তারা জানান, রাস্তা কেটে ফেলায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে কিছুটা বিলম্ব হয়। পরে গাড়ি নির্দিষ্ট স্থানে রেখে পায়ে হেঁটে অভিযান পরিচালনা করেন সদস্যরা।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় প্রায় ৩ হাজার ১০০ একর খাসজমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি বিভিন্ন ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। গত ৯ মার্চ সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও বিজিবির প্রায় ৩ হাজার ২০০ সদস্যের যৌথ অভিযানে এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এরপর সরকার সেখানে পুলিশ ও র‍্যাবের জন্য দুটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের ঘোষণা দেয়। এরই অংশ হিসেবে আলীনগরে র‍্যাব ক্যাম্প নির্মাণকাজ চলছিল। গত রাতের হামলায় সেই ক্যাম্পের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত ৯ মার্চের যৌথ অভিযানে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও ইয়াসিন বাহিনীর প্রধান মো. ইয়াসিন, রোকন বাহিনীর প্রধান রোকন উদ্দিন, মশিউর রহমান, নুরুল হক ভান্ডারি, গাজী সাদেক ও গোলাম গফুরসহ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী এখনো পলাতক রয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযানের আগে জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকা রোকন বাহিনীর এবং আলীনগর এলাকা ইয়াসিন বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল।

Keine Kommentare gefunden


News Card Generator