শ্রমিক থেকে  কোটিপতি ফরিদুলের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। .. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

শ্রমিক থেকে  কোটিপতি ফরিদুলের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ..

KAMRUL HASAN SHARIF avatar   
KAMRUL HASAN SHARIF
শ্রমিক থেকে  কোটিপতি ফরিদুলের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ..
শ্রমিক থেকে  কোটিপতি ফরিদুলের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ..
ছবি: সংগৃহীত
শ্রমিক থেকে  কোটিপতি ফরিদুলের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। 

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ময়লা ব্যবস্থাপনা খাতে চাঁদাবাজির অভিযোগে আলোচিত ফরিদুলকে ঘিরে নতুন করে নানা প..

শ্রমিক থেকে  কোটিপতি ফরিদুলের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। 

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ময়লা ব্যবস্থাপনা খাতে চাঁদাবাজির অভিযোগে আলোচিত ফরিদুলকে ঘিরে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সময়ের সাথে সাথে তিনি নিজের পরিচয় বদল করে কখনো “জুলাই যোদ্ধা”, কখনো জামায়াত, আবার কখনো বিএনপি কিংবা অন্য সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ততার পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তার করে আসছেন।

অভিযোগ রয়েছে, মূলত চাঁদাবাজির কার্যক্রম টিকিয়ে রাখতে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। এতে করে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের অবস্থান শক্ত রাখাই তার মূল লক্ষ্য বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মাত্র ৬/৭ বছর আগেও ফরিদুল ছিলেন একজন সাধারণ গার্মেন্টস শ্রমিক। কিন্তু অল্প সময়ের ব্যবধানে তিনি ঢাকায় একাধিক বাড়ির মালিক হয়েছেন এবং গ্রামেও গড়ে তুলেছেন কোটি টাকার ব্যবসা। এছাড়াও রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে তার একাধিক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এতে প্রশ্ন উঠেছে—একজন সাধারণ শ্রমিক থেকে এত দ্রুত কীভাবে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হলেন? তার আয়ের উৎস কী? কীভাবে এবং কোথায় তিনি চাঁদাবাজি করে এই সম্পদ গড়ে তুলেছেন—এসব বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শ্রমিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে তিনি বিভিন্ন মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে প্রভাব খাটিয়ে আর্থিক সুবিধা আদায় করেছেন। এমনকি শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা থেকেও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থা ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর প্রতি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, সঠিক তদন্ত হলে ফরিদুলের সম্পদের প্রকৃত উৎস এবং সম্ভাব্য দুর্নীতির চিত্র বেরিয়ে আসবে।

এছাড়াও প্রশ্ন উঠেছে—কারা তাকে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে এবং কোন প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থেকে তিনি এতদিন ধরে এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকায় যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে দাবি করছেন অনেকে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ফরিদুলের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন হলে শুধু একজন ব্যক্তির বিষয় নয়, বরং পুরো চাঁদাবাজি চক্রের নেপথ্যের চিত্রও সামনে চলে আসবে।

Hiçbir yorum bulunamadı


News Card Generator