ডিআইএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত এই তদন্তে শিক্ষক নিয়োগে জালিয়াতি, ভুয়া সনদ ব্যবহার এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, সারা দেশের অনিয়মকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রায় ৮৯ কোটি ৮২ লাখ ২৫ হাজার ৬০৭ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরতের সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া, অবৈধভাবে দখলে থাকা ১৭৬.৫২৩ একর জমি উদ্ধারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বকশীগঞ্জের তালিকাভুক্ত ৯ প্রতিষ্ঠান গুলো হলো অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর এম এম সহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বকশীগঞ্জের যে ৯টি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলো হলো: ১. খাদেমুন মইন মহিলা ডিগ্রি কলেজ (তদন্ত প্রতিবেদনভুক্ত) ২. খাদিমুল মইন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ৩. ঘাসিরপাড়া রোকেয়া বেগম উচ্চ বিদ্যালয় ৪. বকশীগঞ্জ খয়ের উদ্দিন (সিনিয়র) ফাজিল মাদ্রাসা ৫. মালিরচর মৌলভীপাড়া দাখিল মাদ্রাসা ৬. মেরুরচর হাসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় ৭. যাদুরচর দাখিল মাদ্রাসা ৮. লাউচাপড়া উচ্চ বিদ্যালয় ৯. হাসিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে ডিআইএ-র পরিচালক প্রফেসর এম এম সহিদুল ইসলাম জানান, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছে বকশীগঞ্জবাসী। সচেতন মহলের দাবি, কেবল তালিকা প্রকাশ নয়, বরং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আত্মসাৎ করা অর্থ দ্রুত ফেরত নিশ্চিত করতে হবে।