ফ্যাসিবাদ বা রাজনৈতিক রেজিম জন্ম স্বাগত না করা; এটি ধাপে ধাপে ধাপে এগিয়ে, আর মানুষের বিশ্বাস, তার পক্ষেও এগিয়ে তাকে ব্যবহার করা হয়। স্পষ্টভাবে পরিষ্কারভাবে দেখতে দেখতে আমরা উদাহরণের আলোকে একটি গঠন ব্রেকডাউন করতে পারি।
ফেসবুক ও অনিশ্চয়তার সময়:
ইতিহাস, বড় অর্থনৈতিক, সামাজিকভাবে দেখা যায় যখন দেখা যায় মানুষ “শক্তি বিচার” খোঁজে। উদাহরণ:
• অ্যাডলফ হিটলার কিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী রাজ্যের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও অপকুলেক্ষাপটে।
• বেনিটো মুসোলিনি
জলাবদ্ধতা রক্ষার ব্যবহারে প্রয়োগ করে।
২.
ফ্যাসিবাদী নীতি সাধারণ একটি নির্দিষ্ট জাতি, ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে “বিশুদ্ধ জাতি” বা “একটি সত্য” নির্মাণ।
• সর্বগ্রাসীবাদের উৎপত্তি -এ আরেন্ডট হান্না
এই পর্ব:
•ভিন্নমতাবলম্বদের “বিকমান” বা “রাষ্ট্রনীতি” হিসাবে উল্লেখ করা হয়।
•অতীতের মূল্যবোধ বা ঐক্যের পক্ষে বলা হয় “অকার্যকর” বা “বিজ্জনক”।
৩.
কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র রেজিম গঠনই নয়, প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যেমন:
• গণমাধ্যম
• বিচারব্যবস্থা
• শিক্ষা ব্যবস্থা
• বুদ্ধিজীবী ও সংস্কৃতি অঙ্গন
গেস্টাপোবেল প্রচারণাকারী জোসেফ - তার প্রচারণা মিডিয়ার ভূমিকায় ভূমিকা পালন করে।
বিশ্বাসের প্রভাব বিস্তারিত এখানে মূল কৌশল। কারণ মানুষ যা বিশ্বাস করে, তা-ই অনুসরণ করে।
৪.
স্বৈরতন্ত্রের পার্টিতে কাড়া দমন-পীড়ন শুরু করা না। পথ ছোট ছোট পদক্ষেপ:
• আসন গান সীমিত করা
•আইন পরিবর্তন
•নিরাপত্তারপাপ নজরদারি
নিজের মানুষ বলে—“এটা খারাপ নয়”, “স্থিতিশীলতা তো আছে”। এই সমঝোতাই রেজিমকে করে।
স্বার্থ, লোভ ও নৈতিক আপস :
আপনি যেটি উল্লেখ করেছেন—“নফস” বা ব্যক্তিগত স্বার্থ—রাজনৈতিক মনোবিজ্ঞানে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
মানুষ প্রায়:
•নিরাপত্তা
•অর্থনৈতিক সুবিধা
•সামাজিক মর্যাদা
এর ব্যবহারে ধর্মীয় আপস করে। ফলে শাসক কাউন্সিল একটি সুবিধাভোগী দল করে, যারা রেজিম দায়িত্বে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
নিয়ন্ত্রিত বিরোধিতা:
অনেক সময় সরকারব্যবস্থা সীমিত পরিসরে বিরোধিতা দেয়—যাতে মানুষ মনে করে পরিবর্তনের সুযোগ আছে। কিন্তু সংগতিগত ক্ষমতা অটুট থাকে।
এটি “কন্ট্রোলড অপজিশন” বা “ম্যানেজড ডেমোক্রেসি” পরিচিত।
৭.
শেষ পর্যন্ত:
•স্বাস্থ্য গঠন নিয়ন্ত্রণ হয়
•নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হয়
•নাগরিক স্বাধীন সীমিত হয়
একটি সমাজের রাজনৈতিক নেতা স্বৈরতন্ত্র হতে পারে—কোনো নাটকীয় পরবর্তী পরবর্তী ছাড়াই।
তাহলে পাসের উপায় কী?
১.
২.
৩.
৪.
৫.
বিশ্বাস অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ—ধর্মীয় বা নীতিগত সমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারে। তবে ইতিহাস দেখায়, যখন বিশ্বাসকে একচেটিয়া শক্তির হাতিয়ার চেষ্টা করা হয়, তখন নির্দেশের মাধ্যমে উঠতে পারে।
আমি উত্তর দিয়েছি?
এই প্রশ্নের উত্তর ব্যক্তি ও সমাজ উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
• আমি কি নীতিমূলকভাবে ভাবছি?
আমি কি ভিন্ন মতকে মনে করছি?
আমি কি নিরাপত্তার নিয়ন্ত্রণে পৌঁছেছি?
ফ্যাসিবাদ বা রেজিম কেবলমাত্র নয়—এটি সামাজিক ও সামাজিক প্রক্রিয়া। আর তাই এর বন্ধও শুরু হয় মানুষের চেতনা ও বিশ্বাসের কথা।