শোককে শক্তি করে রাজপথে মুন্নী: নজর এখন সংরক্ষিত নারী আসনে.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

শোককে শক্তি করে রাজপথে মুন্নী: নজর এখন সংরক্ষিত নারী আসনে..

আই নিউজ বিডি  avatar   
আই নিউজ বিডি
শোককে শক্তি করে রাজপথে মুন্নী: নজর এখন সংরক্ষিত নারী আসনে..
শোককে শক্তি করে রাজপথে মুন্নী: নজর এখন সংরক্ষিত নারী আসনে..
ছবি: সংগৃহীত
শোককে শক্তি করে রাজপথে মুন্নী: নজর এখন সংরক্ষিত নারী আসনে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণের পর এখন রাজনৈতিক মহলে আলোচনার তুঙ্গে—সংরক্ষিত নারী আসনে কারা হচ্ছেন আগামীর সংসদ সদস্য। এই দৌড়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু যশোর জেলা থেকে বেশ খানিকটা এগিয়ে রয়েছেন যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের সাবিরা সুলতানা মুন্নী।


স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণ বলছে, সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে যশোরের ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতেই প্রতিকূলতার কারণে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হতে পারেননি। মাত্র একটি আসনে জয় পাওয়ায় এই জনপদে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে এবং নেতাকর্মীদের মনে সাহস জোগাতে সংরক্ষিত নারী আসনে একজন যোগ্য, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেত্রীকে মনোনয়ন দেওয়ার জোর দাবি উঠেছে। এলাকাবাসী ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সেই আস্থার নাম এখন সাবিরা সুলতানা মুন্নী।
সাবিরা মুন্নী বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়াই করে পরাজিত হলেও মাঠ ছাড়েননি এই নেত্রী।

সাবিরা মুন্নী বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়াই করে পরাজিত হলেও মাঠ ছাড়েননি এই নেত্রী।


তার রাজনৈতিক জীবনের পটভূমি যেমন সংগ্রামের, তেমনি বেদনার। যশোর জেলা বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নাজমুল ইসলাম ২০১১ সালে ঢাকা থেকে অপহরণের পর নিহত হন। স্বামীর এই অকাল ও নৃশংস মৃত্যুর পর সাধারণ গৃহিণী থেকে শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে রাজপথের সক্রিয় রাজনীতিতে আত্মনিয়োগ করেন সাবিরা নাজমুল।


তৃণমূলের কর্মীদের মতে, দলের চরম দুর্দিনেও তিনি ঝিকরগাছা ও চৌগাছা এলাকার নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন। তাই সংরক্ষিত আসনে তাকে মূল্যায়িত করা হলে যশোর অঞ্চলে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম যেমন গতিশীল হবে, তেমনি ত্যাগের সঠিক স্বীকৃতি মিলবে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।

Комментариев нет


News Card Generator