খালেদা জিয়া আর নেই: দেশে রাজনীতির এক যুগান্তকারী নেত্রীর বিদেহী আত্মার শান্তির জন্য দোয়া আহ্বান
ঢাকা, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ – বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় ফজরের ঠিক পরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির বরাতে জানানো হয়, খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল শারীরিক সমস্যা নিয়ে ভুগছিলেন এবং গত ২৩ নভেম্বর থেকে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পরিবার ও চিকিৎসা দলের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও তিনি আমাদের মাঝে আর নেই।
বিএনপি পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমরা তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং সকলের নিকট তাঁর বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া চাই।”
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা দ্রুত শোক প্রকাশ করেছেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আমরা গভীর দুঃখিত… তার এ যাত্রা সর্বত্র শূন্যতার সৃষ্টি করবে।”
চীনসহ আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকেও তার মৃত্যুতে শোকবার্তায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। চীনের উচ্চ পর্যায়ের শোকবার্তায় বলা হয়েছে, খালেদা জিয়ার অসাসাধারণ রাজনৈতিক ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় থেকে যাবে।
খালেদা জিয়া বাংলাদেশ রাজনীতির এক শক্তিশালী ও বিতর্কিত নারী নেতা ছিলেন। তিনি ১৯৯১-১৯৯৬ ও ২০০১–২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং একই সঙ্গে বিএনপি নেত্রী হিসেবেও দীর্ঘকাল রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি ছিলেন।
দেশব্যাপী শোকের ছায়া নেমেছে এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক মহল তাঁর জীবন ও আন্দোলনকে স্মরণ করছে। প্রয়াত নেত্রীর রুহের মাগফিরাত ও তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে মানুষ।
খালেদা জিয়া আর নেই: দেশে রাজনীতির এক যুগান্তকারী নেত্রীর বিদেহী আত্মার শান্তির জন্য দোয়া আহ্বান
ঢাকা, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ – বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় ফজরের ঠিক পরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির বরাতে জানানো হয়, খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল শারীরিক সমস্যা নিয়ে ভুগছিলেন এবং গত ২৩ নভেম্বর থেকে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পরিবার ও চিকিৎসা দলের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও তিনি আমাদের মাঝে আর নেই।
বিএনপি পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমরা তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং সকলের নিকট তাঁর বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া চাই।”
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা দ্রুত শোক প্রকাশ করেছেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আমরা গভীর দুঃখিত… তার এ যাত্রা সর্বত্র শূন্যতার সৃষ্টি করবে।”
চীনসহ আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকেও তার মৃত্যুতে শোকবার্তায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। চীনের উচ্চ পর্যায়ের শোকবার্তায় বলা হয়েছে, খালেদা জিয়ার অসাসাধারণ রাজনৈতিক ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় থেকে যাবে।
খালেদা জিয়া বাংলাদেশ রাজনীতির এক শক্তিশালী ও বিতর্কিত নারী নেতা ছিলেন। তিনি ১৯৯১-১৯৯৬ ও ২০০১–২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং একই সঙ্গে বিএনপি নেত্রী হিসেবেও দীর্ঘকাল রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি ছিলেন।
দেশব্যাপী শোকের ছায়া নেমেছে এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক মহল তাঁর জীবন ও আন্দোলনকে স্মরণ করছে। প্রয়াত নেত্রীর রুহের মাগফিরাত ও তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে মানুষ।
ঢাকা, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ – বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় ফজরের ঠিক পরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির বরাতে জানানো হয়, খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল শারীরিক সমস্যা নিয়ে ভুগছিলেন এবং গত ২৩ নভেম্বর থেকে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পরিবার ও চিকিৎসা দলের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও তিনি আমাদের মাঝে আর নেই।
বিএনপি পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমরা তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং সকলের নিকট তাঁর বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া চাই।”
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা দ্রুত শোক প্রকাশ করেছেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আমরা গভীর দুঃখিত… তার এ যাত্রা সর্বত্র শূন্যতার সৃষ্টি করবে।”
চীনসহ আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকেও তার মৃত্যুতে শোকবার্তায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। চীনের উচ্চ পর্যায়ের শোকবার্তায় বলা হয়েছে, খালেদা জিয়ার অসাসাধারণ রাজনৈতিক ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় থেকে যাবে।
খালেদা জিয়া বাংলাদেশ রাজনীতির এক শক্তিশালী ও বিতর্কিত নারী নেতা ছিলেন। তিনি ১৯৯১-১৯৯৬ ও ২০০১–২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং একই সঙ্গে বিএনপি নেত্রী হিসেবেও দীর্ঘকাল রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি ছিলেন।
দেশব্যাপী শোকের ছায়া নেমেছে এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক মহল তাঁর জীবন ও আন্দোলনকে স্মরণ করছে। প্রয়াত নেত্রীর রুহের মাগফিরাত ও তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে মানুষ।