২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এ আসনে ধানের শীষের সম্ভাব্য মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তার নাম নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। দলীয় সূত্রগুলো বলছে—দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, নেতা–কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং মাঠপর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতার কারণে তিনি এখন ভোটারদের মধ্যেও বিশেষ আগ্রহ সৃষ্টি করেছেন।
সাম্প্রতিক সভা-সমাবেশে কর্মীদের নতুন উদ্দীপনা
সম্প্রতি পূর্বধলার বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, কর্মীসম্মেলন, মতবিনিময় এবং স্মরণসভায় অংশ নিয়ে আবু তাহের তালুকদার দলকে আরও সংগঠিত, সক্রিয় ও ঐক্যবদ্ধ রাখার আহ্বান জানান।
স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতা–কর্মীদের সঙ্গে একাধিক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি বলেন—
“বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ। নেত্রকোনা-৫ আসনে মানুষের আস্থা ও সমর্থনই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।”
তার বক্তব্যে ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তৃণমূলের নেতা–কর্মীদের ঐক্যের প্রতি জোরালো বার্তা।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের আস্থা ও প্রত্যাশা
স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানান, আবু তাহের তালুকদার বহু বছর ধরে মাঠে-ময়দানে দলের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম, সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন থেকে শুরু করে কর্মীদের সুখ–দুঃখে পাশে থাকা—সব ক্ষেত্রেই তার সক্রিয় উপস্থিতি চোখে পড়ে।
তাদের ভাষ্য—
“তিনি সক্রিয়, পরিশ্রমী এবং সবার জন্য উন্মুক্ত একজন নেতা। পূর্বধলার রাজনীতিতে তিনি নিয়মিত মাঠে থাকেন, কর্মীদের খোঁজখবর নেন এবং দলকে নতুনভাবে শক্তিশালী করতে কাজ করেন।
২০২৬ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন সমীকরণ
এলাকার রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন—২০২৬ সালের নির্বাচনে নেত্রকোনা-৫ আসনটি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতার কেন্দ্র। আবু তাহের তালুকদার বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে তৃণমূলের সমর্থন নিয়ে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হবেন বলেও তারা মনে করেন।
এদিকে বিএনপির অভ্যন্তরে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরালো হওয়ায় তৃণমূলে কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাসও বাড়ছে। আবু তাহের তালুকদারের মাঠপর্যায়ের ধারাবাহিক উপস্থিতি এবং সাংগঠনিক তৎপরতা সেই উচ্ছ্বাসকে আরও তীব্র করেছে।